শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদের প্রস্তাব বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০০ পিএম

শেয়ার করুন:

প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদের প্রস্তাব বিএনপির

ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃজন করতে চায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। একই সঙ্গে সংসদের উচ্চকক্ষ প্রবর্তন, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং উচ্চকক্ষে ২০ শতাংশ নারী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে দলটি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহারে এসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারওগাঁওয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ইশতেহার ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ইশতেহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


বিজ্ঞাপন


ইশতেহারের রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার অংশে বলা হয়েছে, সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সংবিধানে পুনঃস্থাপন করা হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অগণতান্ত্রিক সংশোধনী বাতিল, ৩১ দফার ভিত্তিতে সংস্কার, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল, উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃজন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সংসদে উচ্চকক্ষ প্রবর্তন, বিরোধীদলীয় ডেপুটি স্পিকার, উচ্চকক্ষে ২০ শতাংশ নারী, ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন, আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত, স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে সংস্কার করবে দলটি।

BNP

এ ছাড়া ৩১ দফা ও জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন, মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস এবং ন্যায়পরায়ণ বাংলাদেশ গঠনে ফ্যাসিবাদ ও তাঁবেদারিত্বের পুনরাবৃত্তি দমন, বৈষম্য দূরীকরণ ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, ভোটকে রাষ্ট্রক্ষমতার একমাত্র বৈধ উৎস হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা, রাষ্ট্রের প্রত্যেক স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলসমূহকে সঙ্গে নিয়ে জনকল্যাণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন করা হবে, গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে ভবিষ্যৎমুখী এক নতুন ধারার রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি।

রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কারের লক্ষ্যে বিএনপির ইশতেহারে আরও বলা হয়েছে, বিএনপি বিশ্বাস করে জাতি গঠন মানে কেবল রাষ্ট্র পরিচালনা নয়, বরং বিভাজন অতিক্রম করে একটি অভিন্ন জাতীয় সত্ত্বা নির্মাণ। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনের অবসান ঘটানো, আমাদের একটাই পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশি, বাংলাদেশের মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পাহাড়ের মানুষ, সমতলের মানুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই মিলে গড়ে তোলা হবে জাতীয় ঐক্য ও অখণ্ড জাতীয় সত্ত্বা এবং ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন গঠন করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দলটি।

এফএ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর