শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

চুরিচামারি করে নয়, গায়ে খেটে বড় হয়েছি: মির্জা আব্বাস

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম

শেয়ার করুন:

bnp
গুলিস্তানের হল মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মির্জা আব্বাস। ছবি- ঢাকা মেইল

চুরিচামারি করে তিনি বড় হননি বরং গায়ে খেটে বড় হয়েছেন, নিজ হাতে কাজ করেছেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে দলটির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। 

চাঁদাবাজি, মাদকের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে যারা কথা বলছেন, আমি একটু স্পষ্ট করতে চাই, যদি আপনাদের বুকের পাটা থেকে থাকে, তাহলে আসেন বায়তুল মোকাররমের সামনে আমার নামে শালিস বসান। কোনো অসুবিধা নেই, আমার বুকে সাহস আছে।’ 


বিজ্ঞাপন


প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে উদ্দেশ্য করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘অল্প পানির মাছ বেশি পানিতে গেলে যেমন করে, তাদের অবস্থা এখন এমন হয়ে গেছে। তারা আমার বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করেছে, যেটা তাদের মুখে মানায় না।’ 

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারী) রাজধানীর গুলিস্তানের হল মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

পাটওয়ারীকে উদ্দেশে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘জনগণ জানে চুলার মুখে দিয়ে কখনো স্বর্ণ বের হয় না। চুলার মুখ দিয়ে ছাই বের হয়। আর স্বর্ণের খনি থেকে কখনো ছাই বের হয় না।’  


বিজ্ঞাপন


তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি ভাবেন, মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে একটু কথা বললেই প্রচারণায় থাকা যায়। এর জন্য বহু রাস্তা আছে, এজন্য আপনারা দান-খয়রাত করেন এবং ভালোভাবে কথা বলেন। কিন্তু এভাবে গালিগালাজ করে, অসভ্য ভাষায় কথা বলে নিজের ভবিষ্যত জাহির করবেন না।’  

আব্বাস বলেন, ‘আমার অবস্থান বরাবরই চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রয়েছে। এটা নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে থেকে যেগুলো বলা হচ্ছে, সেটা এদেশের মানুষ বিশ্বাস করবে না।’ 

তিনি বলেন, ‘সকাল-সন্ধ্যা জামায়াতে ইসলামীর একটা জুনিয়র গ্রুপ বিএনপি সম্পর্কে অসংখ্য নোংরা কথাবার্তা বলছে। জামায়াতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা আমাদের দেশের চাকরিজীবী মেয়েদের সম্পর্কে খারাপ কথা বলেছে। তাদের মুখের কথাবার্তা লাগামহীন হয়ে গেছে।’  

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দয়া করে একজন মানুষের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করবেন না। বরং নিজে কী করবেন, কী করেছেন, সেটা বলেন।’ 

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন কেন্দ্র পাহারা দেবেন। যারা পোলিং এজেন্ট হবেন, তারা রেজাল্ট শিট নিয়ে রুম থেকে বের হবেন। প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরিত রেজাল্ট শিট ছাড়া ওই এলাকা থেকে কোনো রিটার্নিং অফিসার ও পোলিং এজেন্ট যাতে বের হতে না পারে। যদি বলা হয় ভোট অফিসে গিয়ে গণনা করা হবে, এটা কোনোভাবেই অ্যালাও করবেন না। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে, জনগণ ভোটের অধিকার রক্ষায় সংগ্রাম করতে রাজি আছে। আবার শুনছি ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং হবে। নব্য প্রার্থীদের কথাবার্তায় বুঝতে পারছি, ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং হওয়ার চান্স রয়েছে।’  

হল মার্কেটে বক্তব্য দেওয়ার পর মির্জা আব্বাস গুলিস্তানের পাতাল মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেটে নির্বাচনি প্রচারণা করেন। বায়তুল মোকাররমে জোহরের নামাজের পর তিনি সেখানকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন।

বিইউ/এএইচ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর