রোববার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

প্রকাশ্যে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়: এবি পার্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫২ পিএম

শেয়ার করুন:

jamat leader

শেরপুর-৩ আসনের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমকে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে এবি পার্টি।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।


বিজ্ঞাপন


বিবৃতিতে এবি পার্টির শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেন, ‘এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস, প্রকাশ্য খুন ও নির্বাচনী সন্ত্রাসের ভয়াবহ বহিঃপ্রকাশ।’

বুধবার বিকেলে শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসারের আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি সমর্থকরা ‘ইচ্ছাকৃতভাবে’ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধিয়ে দেয়। পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তারা জামায়াত সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়।

এবি পার্টির নেতারা বলেন, ‘এই সন্ত্রাসী হামলায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমসহ অন্তত তিনজন গুরুতর আহতসহ প্রায় অর্ধশত আহত হন। আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মাওলানা রেজাউল করিম মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন) , একটি একটি জঘন্য, ন্যাক্কারজনক ও কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’


বিজ্ঞাপন


নেতারা আরও বলেন, ‘নির্বাচনী পরিবেশ ধ্বংস করা, বিরোধী মতের প্রতি আক্রমনাত্মক হওয়া এবং ভয়ভীতি ছড়িয়ে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব কায়েম করতেই প্রকাশ্য দিবালোকে এই বর্বর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে, দেশে নির্বাচনের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করছে না , মানবাধিকার পদদলিত হচ্ছে এবং প্রশাসনের নীরবতা অপরাধীদের সাহস জোগাচ্ছে।

নেতারা অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত বিচার, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকল সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানান। একই সঙ্গে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও শহীদ মাওলানা রেজাউল করিমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ করেন।

এবি পার্টির নেতৃবৃন্দ কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘দেশে যদি রাজনৈতিক সহিংসতা, প্রকাশ্য খুন ও সন্ত্রাস বন্ধ না হয়, তবে এর পূর্ণ দায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্বাচন কমিশন কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না। জনগণ এই রক্তের হিসাব ইতিহাসের কাঠগড়ায় তুলে ধরবে।’

এমআর/এএম

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর