নির্বাচনকে সামনে রেখে ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে ঢাকা-৯ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেছেন, ‘ঐক্যবদ্ধ শক্তির কোনো বিকল্প নেই। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকব। যা ভালো তার পাশে থাকব এবং যা খারাপ তা পরিহার করব। ইনশাআল্লাহ, সবাই মিলে একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন ঢাকা-৯ গড়ে তুলতে পারব।’
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) আফতাবনগর প্রেসক্লাবের আয়োজনে রাজধানীর বনশ্রী মেরাদিয়া হাট থেকে কাজীবাড়ি রোড পর্যন্ত পরিবেশ সুরক্ষায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরে হাবিব বলেন, ‘তরুণদের সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা- ৯ গড়ে তোলা হবে। পরিবেশ সুরক্ষা কোনো বিলাসিতা নয়; এটি নাগরিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার অপরিহার্য শর্ত।’
ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পরিবেশ সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি আমাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ও সন্তানের ভবিষ্যতের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। অপরিচ্ছন্ন রাস্তা, ময়লার স্তূপ ও ড্রেনের দুর্গন্ধ থেকেই রোগ, জলাবদ্ধতা ও নানাবিধ দুর্ভোগ তৈরি হয়।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা-৯, বিশেষ করে সবুজবাগ, খিলগাঁও ও মুগদা এলাকায় আমরা প্রতিদিন এসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি। এই বাস্তবতা থেকেই আমরা বলি পরিষ্কার ঢাকা-৯ মানেই সুস্থ ঢাকা নয়।’
হাবিব বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এই বাস্তবতা অনুধাবন করেই ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই ৩১ দফার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে, নাগরিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।’
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, ‘কার্যকর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধান, তরুণদের সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা আন্দোলন- এগুলো কোনো স্লোগান নয়, এগুলো বাস্তব সমস্যা এবং তা সমাধানের একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ।’
বিএনপি প্রার্থী বলেন, ‘আমরা চাই পরিষ্কার রাস্তা, পরিষ্কার ড্রেন এবং একটি বাসযোগ্য পরিবেশ। এই লড়াই শুধু ভোটের জন্য নয়; এই লড়াই একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনের জন্য।’
নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা সবাই মিলে অঙ্গীকার করি নিজের ঘর থেকে শুরু করব, নিজের এলাকা পরিষ্কার রাখব এবং বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নের পাশে থাকব। ঢাকা-৯ আমাদের পরিষ্কার রাখাও আমাদেরই দায়িত্ব।’
হাবিব আরও বলেন, ‘এই আন্দোলন যদি আমরা নিজেরা আগে শুরু করি এবং বাসাবাড়ি থেকে পরিচ্ছন্নতার চর্চা গড়ে তুলি, তাহলে সেটিকে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়া সম্ভব। স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ এগিয়ে নেওয়া যাবে।’
এসময় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী, এলাকাবাসী এবং আয়োজক ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিইউ/এএইচ

