বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, আজকে নির্বাচনের সুযোগ নিয়ে যারা দেশকে অস্থির করার চেষ্টা করছেন, খুনখারাবি ও মব সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা করছেন তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা কখনই চায়নি। তারা জনগণের পালস বুঝে গেছে। দেশপ্রেমিক শক্তির বিরুদ্ধে একটি মহলষড়যন্ত্র করছে। জনগণ তাদের ফাঁদে পা দেবে না।’
সোমবার (১২জানুয়ারি) বিকেলে শাহবাগ বারডেম হাসপাতালে ‘বারডেম জেনারেল হাসপাতাল কর্মকর্তা কর্মচারী ঐক্য পরিষদ’ আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনে আমরা বিভিন্নভাবে আক্রান্ত হয়েছিলাম। আমার বাসা হাসপাতালে পরিনত হয়েছিল। সেখান থেকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আক্রমণে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিতে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স অনবরত কাজ করেছে। সে অত্যাচার থেকে শতকষ্ট সহ্য করে নিজের জীবনের বিনিময়ে আমাদের রক্ষা করেছেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া। তার বিরুদ্ধে অবিচার হয়েছে, অত্যাচার হয়েছে দেশ ছেড়ে যাননি। অথচ, একটিবারও কৃতজ্ঞতা নেই। সব নাকি তারা অর্জন করেছে।’
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর গুম-খুনের শিকার হয়েছি। এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। ভাবটা এমন যে বিএনপি কথাই বলতে পারবে না। বললেই টুইস্ট করা হচ্ছে। কোটি কোটি টাকা লগ্নি করা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, যাতে আমাদের বিরুদ্ধে লেখা হয়। আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে। যারা আমার সম্পর্কে অপপ্রচার করছেন তারা অপরিপক্ক। তারা হয়ত আমার সম্পর্কে কিছু জানে না। এসব অপরিপক্করা যদি সংসদে আসে তাহলে সংসদের কি অবস্থা হবে আল্লাহ জানেন।’
দোয়া ও স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুদ্দিন, বারডেম হাসপাতালের পরিচালক হাসপাতাল ডা. মো. নাসির উদ্দিন, কর্মকর্তা কর্মচারী পরিষদের আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল ইসলাম, ডা মাহমুদ নবী সিদ্দিকী ডা. রেনে সুজান ক্লদ সরকার ডা. নাজমুল ইসলাম, ডা. সৈয়দ দাউদ, ডা. তৈমুর, ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল প্রমুখ।
বিজ্ঞাপন
বিইউ/এএইচ

