সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

ডা. ফরিদের প্রার্থিতা নিয়ে শুনানি ১৬ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম

শেয়ার করুন:

ডা. ফরিদের প্রার্থিতা নিয়ে শুনানি ১৬ জানুয়ারি

যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদের প্রার্থিতা নিয়ে পরবর্তী শুনানি আগামী ১৬ জানুয়ারি।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানি শেষে এ দিন ধার্য করা হয়।


বিজ্ঞাপন


এর আগে ক্রেডিট কার্ডের বিল ও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে করা অভিযোগের ওপর বিষয়ে শুনানি হয়। পরে আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত তা মুলতবি করে নির্বাচন কমিশন।

নিজের বিরুদ্ধে আনা দুই অভিযোগ প্রসঙ্গে ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ বলেন, প্রায় ২৫ বছর আগে বিদেশে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই, তখন আমি একটি কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলাম। সেই কোম্পানির একটি ক্রেডিট কার্ড ছিল ত্রিশ হাজার টাকার। ওই সময় কোম্পানির এক কোটি লাখ বিশ লাখ টাকার একটি লোন ছিল। লোনটা সম্পূর্ণ পরিশোধ করে যাই। কারও একটি ভুলের কারণে এই ত্রিশ হাজার টাকা শোধ দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমি বিদেশের চলে গেলেও ব্যাংকের কারছে আমার দুইটা স্থায়ী ঠিকানা ছিল, তারা গত ২৪ বছরে কোনো যোগাযোগ ওখানে করেনি। এ কারণে আমার জানা ছিল না যে, আমার লোন আছে। আমি যদি এক কোটি বিশ লাখ টাকা শোধ করে যেতে পারি, তাহলে ত্রিশ হাজার টাকা দেওয়ায় তো কোনো সমস্যা ছিল না।

তিনি আরো বলেন, আমি নমিনেশন দেওয়ার পর জানতে পারলাম যে, এই ৩০ হাজার শোধ হয়নি। পরে এটা আমরা দিয়ে এর সার্টিফিকেট রিটার্নিং অফিসার দিই। যারা এই ছোটখাট বিল পরিশোধ করেনি, তাদের অনেককেই সুযোগ দেওয়া হয়েছে, আমরা যেটা পত্রপত্রিকায় দেখছি।


বিজ্ঞাপন


ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ বলেন, আর দ্বিতীয় হলো, সিটিজেনশিপের ব্যাপার। প্রতিদ্বন্দ্বী একজন প্রার্থীর পক্ষ থেকে আমার দ্বৈতনাগরিকত্বের ব্যাপারে কমিশনে আবেদন করা হয়েছে। আমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ফেরত দেবার যাবতীয় কাগজপত্র কমিশনে দাখিল করা হয়েছে। আমি যখন এটা সমর্পণ করলাম, তখন বাংলাদেশি পাসপোর্টেই আমি দেশে এসেছি। কারণ ব্রিটিশ পাসপোর্ট তখন আমার নাই। সেটারও ডকুমেন্ট আমাদের কাছে আছে। আগামী ১৬ তারিখ শুনানি হবে। ইনশাআল্লাহ রায় পক্ষে আসবে।

এসএইচ/এএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর