গণঅধিকার পরিষদের নামে একটি ভুয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বলে দাবি করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) হাসান আল মামুন। তিনি বলেন, এই ভুয়া বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক অডিও বার্তায় এ বিষয়ে নিজের অবস্থান জানান হাসান আল মামুন। তিনি বলেন, “বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার স্বাক্ষরযুক্ত একটি প্রেস রিলিজ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ প্রেস রিলিজটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানানো।”
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, “ওই বিজ্ঞপ্তিতে আমার স্বাক্ষর নকল করা হয়েছে। অন্য কোনো নথি থেকে কপি করে দলের প্যাডে বসানো হয়েছে। এটি আমাদের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি।”
ভুয়া বিজ্ঞপ্তি নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত চক্রের কাজ। যারা এটি করছে তারা গণঅধিকার পরিষদের কেউ নয়। তৃতীয় কোনো পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব গুজব ছড়াচ্ছে।”
এদিকে, বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা ইস্যুকে কেন্দ্র করে গণঅধিকার পরিষদের ভেতরে সাম্প্রতিক সময়ে অসন্তোষ ও টানাপোড়েন প্রকাশ্যে এসেছে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সভাপতির আসন সমঝোতার অভিযোগ, দপ্তর সম্পাদকের স্বাক্ষরে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং পরবর্তীতে তাকে সাময়িক অব্যাহতির ঘটনাকে ঘিরে বৃহস্পতিবার দিনভর নানা নাটকীয়তা দেখা যায়।
এ বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, “পটুয়াখালী-৩ আসন (গলাচিপা-দশমিনা) থেকে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ট্রাক প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন তৈরি হওয়ায় একটি গোষ্ঠী ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়াচ্ছে।” তিনি সকলকে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান।
দলীয় সূত্র জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণঅধিকার পরিষদকে ঘিরে সাম্প্রতিক এসব বিভ্রান্তিকর তথ্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। তবে দলীয়ভাবে যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এমআর/এআর

