খুব শিগগির বিএনপির চেয়ারম্যান হওয়ার পথে তারেক রহমান। বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হয়ে তিনিই দেশ ও জনগণের নেতৃত্ব দেবেন- এমনটাই প্রত্যাশা করছে পূর্ব এশিয়ার অন্যতম সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র চীন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াং ওয়েন।
বিজ্ঞাপন
গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির।
সাক্ষাৎকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন ও প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের এটিই প্রথম সাক্ষাৎ। ঘণ্টাব্যাপী সাক্ষাতের পর হুমায়ুন কবির বলেন, ‘অত্যন্ত সৌহার্দ্যমূলক পরিবেশে এই বৈঠক হয়েছে। চীন বাংলাদেশের একটি দীর্ঘ সময়ের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী দেশ।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেছেন, চীন ইজ অ্যান ইম্পর্টেন্ট ডেভেলপিং পার্টনার অব বাংলাদেশ। তিনি বিএনপির ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং কীভাবে দেশ গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চান, সেগুলো নিয়ে কথা বলেছেন। চীন কীভাবে বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা করতে পারে, সেটাও আলোচনায় উঠে এসেছে।’
বিজ্ঞাপন
এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘উনারা (চীন) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভূমিকা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেন এবং তারেক রহমানই বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন, জনগণের নেতৃত্ব দেবেন পরবর্তী নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে—এমনটা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। দে আর রেডি টু ওয়ার্ক উইথ দ্য নেক্সট ইলেক্টেড গভর্নমেন্ট অব বাংলাদেশ।’
সাক্ষাৎকালে খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানান চীনা রাষ্ট্রদূত। এই বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ম্যাডাম বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনি (চীনা রাষ্ট্রদূত) ব্যক্তিগতভাবে শোক প্রকাশ করেছেন।’
সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেন চীনা রাষ্ট্রদূত।
বিশেষ করে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিষয়সহ পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের নানা দিক আলোচনায় উঠে আসে আলোচনায়।
এএইচ

