বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

মির্জা ফখরুলের নগদ আছে সোয়া কোটি, বছরে আয় ১১ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৪১ পিএম

শেয়ার করুন:

Fakhrul
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচনি হলফনামায় বলেছেন বর্তমানে তার হাতে নগদ আছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ১১৬ টাকা ৭৭ পয়সা। তার বছরে আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।


বিজ্ঞাপন


হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, কৃষি খাত থেকে বছরে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে ১ লাখ ৯৭ হাজার ২৩২ টাকা, ইজাব গ্রুপের পরামর্শক হিসেবে ৬ লাখ টাকা, দি মিজার্স প্রাইভেট লিমিটেডে চাকরি করে আয় করেন ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ও ব্যাংক মুনাফা থেকে আয় আসে ৭ হাজার ৯০১ টাকা। বর্তমানে নগদ হাতে আছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ১১৬ টাকা ৭৭ পয়সা। বিভিন্ন ব্যাংকে জমা আছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৫২ টাকা ৪৬ পয়সা। শেয়ার আছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টাকার, ইলেকট্রনিক পণ্য ও আসবাব আছে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার। আছে একটি গাড়ি ও ১০ ভরি সোনা।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রীর হাতে আছে নগদ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৩০ টাকা, ব্যাংকে জমা আছে পৌনে ১২ লাখ টাকা, সঞ্চয়পত্র আছে ৩৪ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৫ টাকার, মেয়াদী আমানত আছে ৪৫ লাখ ১১ হাজার ৭৫০ টাকার। সাড়ে ২৬ লাখ টাকার একটি গাড়ি আছে, স্বর্ণ আছে ২০ ভরি, ইলেকট্রনিক্স পণ্য ও আসবাব আছে ২ লাখ টাকার।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরে ৫ একর কৃষি জমি আছে, স্ত্রী আছে ৭০ শতাংশের একটি এবং ২.১৪ একরের একটি কৃষি জমি আছে। ঠাকুরগাঁয়ের পৈতৃক বাড়ির একটি অংশ আছে নিজের আর স্ত্রীর নামে এলাকায় ১২ শতাংশ ও পূর্বাঞ্চলে প্লট আছে। নিজ নামের চার শতাংশ জমির ওপর মার্কেটের শেয়ার আছে, স্ত্রীর নামে আছে গুলশান-২ নম্বরে একটি বাসা। নেই কোনো ঋণ। 


বিজ্ঞাপন


আয়কর রিটার্নের তথ্যানুযায়ী, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সম্পদ রয়েছে ১ কোটি ৫২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮৩ টাকার। বছরে তার আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা৷ তিনি ৭২ হাজার ৮৮৯ টাকা আয়কর দিয়েছেন। অন্যদিকে স্ত্রীর নামে ২ কোটি ৪৩ লাখ ৯২ হাজার ৬৯৯ টাকা মূল্যের সম্পদ ও আয় দেখিয়েছেন ১২ লাখ ৫০ হাজার ৪৯৩ টাকা। রাহাত আরা বেগম আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৫৮৫ টাকা।

তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির টিকিট পেয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ৯টি মামলা রযেছে, যা স্থগিত অবস্থায় আছে৷ এছাড়া অতীতে ৫৬টি মামলায় তিনি অব্যাহতি বা খালাস পেয়েছেন।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

এমএইচএইচ/এমআই

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর