বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

সেরা নির্বাচন আয়োজন করতে ব্যর্থ বর্তমান সরকার: রাশেদ খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০২৫, ০৫:৪২ পিএম

শেয়ার করুন:

সেরা নির্বাচন আয়োজন করতে ব্যর্থ বর্তমান সরকার: রাশেদ খান
রাশেদ খান। ফাইল ছবি

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, সরকারের দায়িত্ব ছিল নির্বাচনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা। তবে এখনো সেই পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। একটি সেরা নির্বাচন আয়োজন করতে যে সেরা পরিবেশ প্রয়োজন, তা বর্তমান সরকার তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক্স ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


বিজ্ঞাপন


রাশেদ খান বলেন, পুলিশ এখনও সঠিকভাবে কাজ করছে না। এ পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীই কেবল সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে পারে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু হিংসা-সহিংসতা থাকা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না—এ নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় রয়েছে। তাঁর দাবি, ভারতীয় আধিপত্যশক্তি এবং আওয়ামী লীগ নির্বাচন চায় না। তারা চায় না নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাভাবিক পথে ফিরুক। তাদের লক্ষ্য আরেকটি এক-এগারো তৈরি করা। তাই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আদায় করে নিতে হবে, না হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে এবং ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। সেনাবাহিনীর প্রতি তাঁর আহ্বান—জাতির পাশে থাকুন।

রাশেদ খান আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা দেশে ফিরে এসেছে। শেখ হাসিনা বুঝেছিলেন তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতি থাকলে তিনি ‘ফ্যাসিস্ট’ হতে পারবেন না, তাই সে ব্যবস্থা বিলোপ করেছিলেন। জনগণের সঙ্গে প্রতারণা টেকে না—অতীতেও কেউ পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।

তিনি আরও বলেন, অতীতে আত্মীয়-স্বজন কারা রাজনীতি করে—সেজন্য সেনাবাহিনী থেকে সদস্যদের চাকরিচ্যুত করার নজির রয়েছে। তখন ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগের সমর্থন না পেলে পুলিশসহ সরকারি চাকরি পাওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল। রাশেদের মত, চাকরিতে একমাত্র মেধাকে প্রাধান্য দিতে হবে।


বিজ্ঞাপন


নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তারা “ফ্যাসিবাদের দোসরদের” সংলাপে ডাকেনি। তাঁর দাবি, জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা দিতে জাতিকে সোচ্চার থাকতে হবে। সম্মিলিতভাবে তাদের বয়কট করতে পারলে তারা আর রাজনৈতিক মঞ্চে ফিরতে পারবে না।

রাশেদ বলেন, যেহেতু আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে, সেই দলের কোনো নেতাকে নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। আগের ডামি এমপিদের অংশগ্রহণও ঠেকাতে হবে, কারণ এতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা নির্বাচন বানচালের সুযোগ পেতে পারে। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আরেকটি এক-এগারো তৈরির চেষ্টা করছে। আদালতে বিচারের আগে তাদের কোনো নেতাকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া যাবে না; একইভাবে জাতীয় পার্টিকেও নয়।গণঅভ্যুত্থান কখনোই নিরীহ কর্মীদের ওপর হামলা করেনি; বরং অন্যায় ও দমননীতির বিরুদ্ধে জনগণের শক্তিই সামনে এসেছে।

এএইচ/এআর


--

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর