শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ঢাকা

ঢাকা-১৩ আসনে এলাকাবাসীর মধ্যে পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ

ঢাকা মেইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫ জুন ২০২৫, ০৬:৫০ পিএম

শেয়ার করুন:

bnp
কায়াস মাহমুদ প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত

কোরবানির পরপরই স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ঢাকা-১৩ আসনের অন্তর্ভুক্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) ঢাকা-১৩ আসনের অন্তর্ভুক্ত মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলানগর এলাকাবাসীর জন্য এক বিশেষ অনুষ্ঠানে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, বিন ব্যাগ এবং ব্লিচিং পাউডার বিতরণ করা হয়।

ঈদের পর কোরবানির বর্জ্য দূর করতে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এসব সামগ্রী স্থানীয়দের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে এসব সামগ্রী জনগণের হাতে তুলে দেওয়া হয়।


বিজ্ঞাপন


অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন আদাবর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ। প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা, অস্ট্রেলিয়া ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং ভয়েস ফর বাংলাদেশ ডেমোক্রেসি অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়াস মাহমুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন অস্ট্রেলিয়া ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল মোহাম্মেদ।

প্রধান অতিথি কায়াস মাহমুদ দেশ পুনর্গঠন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ, যা সরাসরি বিএনপির রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফার ৩১ নম্বর দফা— ‘যুগোপযোগী, পরিকল্পিত, পরিবেশবান্ধব আবাসন ও নগরায়ন নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন’–এর একটি মাইলফলক উদাহরণ। এছাড়াও, এ কার্যক্রম ৯ নম্বর দফার আলোকে, ‘জনগণের নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও মানবিক জীবন নিশ্চিতকরণ’-এর সুনির্দিষ্ট প্রয়োগ হিসেবেও চিহ্নিত হয়।

কায়াস মাহমুদ বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা শুধু একটি ব্যক্তিগত অভ্যাস নয়, এটি একটি সামাজিক দায়িত্ব। কোরবানির পর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা মানে শুধু পরিবেশ রক্ষা নয়, বরং আমাদের পরিবার, প্রতিবেশী এবং সমাজের স্বাস্থ্য রক্ষা করা। এই সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে আমি কাজ করে যাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই উদ্যোগ তারেক রহমান সাহেবের নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় পরিচালিত হচ্ছে, যিনি সব সময়ই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সচেতনতাকে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।’


বিজ্ঞাপন


বক্তব্যের শেষে কায়াস মাহমুদ বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে জোর দাবি জানান আর সময়ক্ষেপণ না করে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষে অতিদ্রুত নির্বাচনের তারিখ এবং রোডম্যাপ ঘোষণা করার জন্য। যাতে বাংলাদেশ সর্বজন স্বীকৃত একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পক্রিয়ায় যাত্রা শুরু করতে পারে।   

জেবি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর