প্রায় একযুগ ধরে চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি কিছুদিন ধরে রাজনীতির মাঠেও নেমেছেন। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সভা–সমাবেশেও যোগ দিয়েছেন তিনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করবেন এমন গুঞ্জন আগে থেকেই ছিল মাহী নির্বাচন করবেন। এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন আলোচিত এই নায়িকা। কিন্তু দলের মনোনয়ন পাননি তিনি।
অন্যদিকে মাহিয়া মাহির সঙ্গে ‘বিতর্কিত’ ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় নাম আসা সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানও এবার মনোনয়ন পাননি। তিনি জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তার জায়গায় মনোনয়ন পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি।
বিজ্ঞাপন
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুরাদ নানা কারণে আলোচিত ও সমালোচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি রাজনীতিতে ফিরে আসার চেষ্টা করছিলেন। ২০২১ সালে ফেসবুক পেজে মুরাদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, তার ছেলে ও নাতনিকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেন। এরপর অভিনেত্রী মাহিয়া মাহীকে নিয়ে একটি ফোনকল ভাইরাল হলে তিনি তুমুল সমালোচিত হন। যে কারণে দলীয় পদও চলে যায় তার।
বিইউ/জেবি

