শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ঢাকা

শহীদরা মৃত নন

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ইসলামী দর্শন ও বাংলাদেশের ইতিহাস

প্রফেসর ড. জি. এম. রাবিউল ইসলাম
প্রকাশিত: ৩০ মে ২০২৬, ০৭:৩১ এএম

শেয়ার করুন:

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ইসলামী দর্শন ও বাংলাদেশের ইতিহাস

বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের জীবন ও মৃত্যু একটি জাতির আবেগ, সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তেমনই এক নাম, যিনি কেবল একজন রাষ্ট্রপতি ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা, একজন সাহসী সেনা কর্মকর্তা, একজন সংগঠক, একজন রাষ্ট্রনায়ক এবং বহু মানুষের কাছে দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের প্রতীক।

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক অবস্থান বদলেছে, মতাদর্শ বদলেছে, মানুষ বিভক্ত হয়েছে নানা মত ও দলে; কিন্তু ইতিহাসের কিছু সত্য কখনো মুছে যায় না। সেই সত্যের অন্যতম অংশ হলো—বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রগঠন এবং জাতীয় আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা।


বিজ্ঞাপন


ইসলাম মানুষকে কেবল পার্থিব জীবন সম্পর্কে শিক্ষা দেয় না; বরং মৃত্যু, আত্মত্যাগ, শহীদত্ব ও আখিরাত সম্পর্কেও সুস্পষ্ট ধারণা দেয়। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেন, “আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাদেরকে তোমরা মৃত বলো না; বরং তারা জীবিত, কিন্তু তোমরা তা উপলব্ধি করতে পারো না।”

এই আয়াত মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গভীর তাৎপর্যপূর্ণ। এখানে শহীদদের এমন এক মর্যাদার কথা বলা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্পূর্ণ উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। দুনিয়ার চোখে তারা হয়তো মৃত, কিন্তু আল্লাহর কাছে তারা জীবিত। ইসলামের এই দর্শন আত্মত্যাগকে শুধু একটি ঘটনা হিসেবে দেখে না; বরং এটিকে একটি চিরন্তন মর্যাদা হিসেবে বিবেচনা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনকে যদি আমরা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি, তাহলে দেখতে পাই যে তার জীবনের প্রতিটি অধ্যায় সংগ্রাম, দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও সাহসিকতার সঙ্গে জড়িত। তিনি এমন এক সময়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যখন উপমহাদেশ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ঔপনিবেশিক শাসনের প্রভাবে বিপর্যস্ত ছিল। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন দৃঢ়চেতা ও শৃঙ্খলাপরায়ণ। সামরিক জীবনে প্রবেশের পর তার মধ্যে নেতৃত্বের গুণ আরও বিকশিত হয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনকালে তিনি দক্ষতা, সাহসিকতা ও কর্তব্যপরায়ণতার পরিচয় দেন। কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয় ১৯৭১ সালে।

১৯৭১ সাল বাঙালি জাতির ইতিহাসে শুধু একটি বছর নয়; এটি একটি রক্তাক্ত সংগ্রামের নাম। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালিরা যখন স্বাধীনতার দাবিতে রাস্তায় নেমেছিল, তখন পুরো পূর্ববাংলা যেন একটি অগ্নিগর্ভ ভূখণ্ডে পরিণত হয়েছিল। ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালায়। সেই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু কিছু সাহসী মানুষ সামনে এসে জাতিকে সাহস জুগিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান ছিলেন তাদের অন্যতম।


বিজ্ঞাপন


স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠের মাধ্যমে তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের মনে আশার আলো জ্বালিয়ে দেন। তার কণ্ঠে উচ্চারিত স্বাধীনতার বার্তা লক্ষ মানুষের মনে নতুন সাহস সৃষ্টি করেছিল। ইতিহাসের সেই মুহূর্ত ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যুদ্ধ শুধু অস্ত্র দিয়ে জয় করা যায় না; মানুষের মনোবলও প্রয়োজন হয়। জিয়াউর রহমান সেই মনোবল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি একজন সেক্টর কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন। যুদ্ধক্ষেত্রে তার সাহসিকতা ও নেতৃত্ব তাকে একজন দক্ষ সামরিক নেতায় পরিণত করে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের অবস্থা ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। লাখো মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছিল, অসংখ্য মা তাদের সন্তান হারিয়েছিলেন, অসংখ্য নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে যারা অস্ত্র হাতে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। ইসলামে যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে জীবন উৎসর্গ করেন, তাদের জন্য রয়েছে বিশেষ মর্যাদা। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ, জীবন ও পরিবার রক্ষার জন্য নিহত হয়, সে শহীদ।” বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধও ছিল মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধ।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ছিল একটি বিধ্বস্ত রাষ্ট্র। যুদ্ধের ক্ষত তখনও তাজা। অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত, প্রশাসন দুর্বল এবং মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল। সেই কঠিন সময়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, কেবল রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করলেই হবে না; অর্থনৈতিক মুক্তিও নিশ্চিত করতে হবে। তাই তিনি দেশের উৎপাদন ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন। কৃষি, শিল্প, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং গ্রামীণ উন্নয়নকে তিনি জাতীয় উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে দেখতেন।

তার ‘খাল কাটো’ কর্মসূচি শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প ছিল না; এটি ছিল মানুষের অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নের প্রতীক। তিনি চেয়েছিলেন সাধারণ মানুষ নিজেদের শ্রম ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখুক। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য তিনি বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে তিনি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পথ তৈরি করতে চেয়েছিলেন। আজ বাংলাদেশের যে কৃষিভিত্তিক অগ্রগতি, তার পেছনে স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে নেওয়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতির অবদান রয়েছে।

জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন যে, বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল হতে হবে। বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না। তাই তিনি উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেন। তার সময়ে বিদেশে জনশক্তি রফতানির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। আজ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, তার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল সেই সময়েই।

তিনি শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না; রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার মতে, রাজনৈতিক মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ছাড়া একটি রাষ্ট্রে সুস্থ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। তার রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, যা দেশের স্বাধীন সত্তা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কে গুরুত্ব দেয়।

জিয়াউর রহমানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি তার শ্রদ্ধা। তিনি বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করেন। তিনি মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার করার চেষ্টা করেন। তার দৃষ্টিতে ইসলাম ছিল এ দেশের মানুষের আত্মিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, বাংলাদেশের জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিকে সম্মান না করে একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব নয়।

তবে তার জীবন কেবল সাফল্যের গল্প ছিল না; ছিল নানা ষড়যন্ত্র, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও চ্যালেঞ্জও। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে সামরিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল প্রবল। নানা সংকটের মধ্য দিয়ে তাকে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হয়েছিল। কিন্তু তিনি চেষ্টা করেছিলেন দেশকে একটি স্থিতিশীল পথে নিয়ে যেতে।

১৯৮১ সালের ৩০ মে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর দিন। চট্টগ্রামে এক সামরিক অভ্যুত্থানে তিনি নিহত হন। তার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ছিল না; বরং এটি ছিল একটি জাতির জন্য গভীর শোকের মুহূর্ত। তার মৃত্যুর সংবাদে সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে আসে। মানুষ অনুভব করেছিল যে, দেশ একজন সাহসী নেতা ও দেশপ্রেমিককে হারিয়েছে।

ইসলামে শহীদের মৃত্যু কোনো সমাপ্তি নয়। এটি একটি নতুন জীবনের সূচনা। শহীদদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, তারা তাদের প্রতিপালকের কাছে জীবিত এবং রিজিকপ্রাপ্ত। এই বিশ্বাস মুসলমানদের আত্মত্যাগের শক্তি জোগায়। শহীদের মর্যাদা এত বেশি যে, কিয়ামতের দিনও তারা বিশেষ সম্মান লাভ করবেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, শহীদের রক্তের প্রথম ফোঁটা ঝরার সঙ্গে সঙ্গে তার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।

আজকের সমাজে আমরা প্রায়ই দেখি রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে মানুষ ইতিহাসকে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে মূল্যায়ন করে। কিন্তু একটি সভ্য জাতির দায়িত্ব হলো ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অবদানকে ন্যায় ও সততার সঙ্গে মূল্যায়ন করা। মতপার্থক্য থাকতে পারে, সমালোচনা থাকতে পারে; কিন্তু আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমকে অস্বীকার করা উচিত নয়। জিয়াউর রহমানের অবদান নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা, রাষ্ট্রগঠনে তার অবদান এবং দেশের মানুষের মধ্যে আত্মনির্ভরতার চেতনা জাগ্রত করার প্রচেষ্টা ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।

বর্তমান প্রজন্মের জন্য তার জীবন থেকে অনেক শিক্ষা গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে। তিনি শিখিয়েছেন যে, নেতৃত্ব মানে শুধু ক্ষমতা নয়; এটি দায়িত্ব, সাহস ও আত্মত্যাগের বিষয়। তিনি দেখিয়েছেন যে, একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশও সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, সাধারণ মানুষই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি।

আজকের তরুণ সমাজ নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নৈতিক অবক্ষয়, বিভাজন, হতাশা ও স্বার্থপরতার এই সময়ে ইতিহাসের আত্মত্যাগী মানুষদের স্মরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইতিহাস শুধু অতীত নয়; এটি ভবিষ্যতের পথনির্দেশকও। যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের স্মরণ করা মানে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও আত্মত্যাগের মূল্যবোধকে জীবিত রাখা।

মানুষ পৃথিবীতে চিরদিন বেঁচে থাকে না। কিন্তু কিছু মানুষ তাদের কর্ম, আদর্শ ও ত্যাগের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে যান। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তেমনই একজন ব্যক্তি। তার জীবন বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি ছিলেন সংগ্রামের প্রতীক, আত্মনির্ভরতার প্রতীক এবং বহু মানুষের কাছে দেশপ্রেমের প্রতীক।

ইসলাম আমাদের শেখায় যে, শহীদরা মৃত নন। তাঁদের আত্মত্যাগ কখনো হারিয়ে যায় না। তারা মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন এবং আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হন। তাই শহীদদের স্মরণ করা শুধু ইতিহাসের দায়িত্ব নয়; এটি একটি নৈতিক দায়িত্বও। কারণ যে জাতি তার আত্মত্যাগী মানুষদের সম্মান করতে জানে না, সে জাতি কখনো সত্যিকার অর্থে উন্নত হতে পারে না।

আজ যখন আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করি, তখন আমরা কেবল একজন রাজনীতিককে স্মরণ করি না; আমরা স্মরণ করি একজন মুক্তিযোদ্ধাকে, একজন সাহসী সেনানায়ককে, একজন রাষ্ট্রনায়ককে এবং একজন আত্মত্যাগী মানুষকে। তার জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু আদর্শ ও আত্মত্যাগ চিরস্থায়ী।

আল্লাহ তাআলা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ সকল শহীদকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। আল্লাহ আমাদেরকে সত্য, ন্যায়, দেশপ্রেম ও মানবকল্যাণের পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখক: প্রফেসর ড. জি. এম. রাবিউল ইসলাম

ডিপার্টমেন্ট অব ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর