সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

বিএনপি-জামায়াতের নির্বাচনি হিসাব-নিকাশ

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রকাশিত: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:১১ পিএম

শেয়ার করুন:

anwar
আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু। ছবি: সংগৃহীত

সদ্য বিদায়ি ইংরেজি বছরের ডিসেম্বর মাস বাংলাদেশের ইতিহাসে বহু কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস ছাড়াও ২০২৫ সালে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তিনটি নজিরবিহীন ঘটনা। আঁততায়ীর গুলিতে গুরুতর আহত তরুণ রাজনৈতিক নেতা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র অনলবর্ষী বক্তা শরিফ ওসমান হাদি গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করার পর ২০ ডিসেম্বর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জনতার বিপুল উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় তাঁর জানাজা ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তার দাফন।

দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনে কাটানো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ২৫ ডিসেম্বর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা প্রদান এবং পূর্বাচলে স্মরণকালের বৃহত্তম জনসমাবেশে তাঁর বক্তব্য এবং বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জনসমাগমের দিক থেকে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠান এবং শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর দাফন। শেখ হাসিনার দুঃশাসন যদি বহাল থাকতো, তাহলে ঘটনাগুলোর ভিন্নরকম চিত্র হতো। ওসমান হাদির কবর হতো তার গ্রামে পারিবারিক গোরস্থানে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা হতো না এবং খালেদা জিয়ার কবর হতো বগুড়া অথবা ফেনীতে, অথবা বড়জোর ঢাকার বনানী গোরস্থানে। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় কি না হয়। তিনি বলেন ‘হও,’ আর ‘হয়ে যায়’।


বিজ্ঞাপন


তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সারাদেশে বিএনপির পক্ষে জনসমর্থনের যে জোয়ার পরিলক্ষিত হচ্ছে, তাতে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি যে জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে ধারণা করা যায়।

কোরআনে বলা হয়েছে: ‘আপনি যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দান করেন, যার থেকে ইচ্ছা  রাজত্ব ছিনিয়ে নেন এবং আপনি যাকে ইচ্ছা সম্মান দান করেন; আর যাকে ইচ্ছা লাঞ্ছিত করেন। সকল কল্যাণ আপনার হাতেই। নিশ্চয় আপনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।’ আল্লাহ শেখ হাসিনার হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়াকে শেখ হাসিনা চরম হিংস্রতায় অশ্রাব্য ভাষায় কটূক্তি ও বিদ্রুপ করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ খালেদা জিয়াকেই সম্মানিত করেছেন এবং হাসিনাকে লাঞ্ছিত করেছেন। পৃথিবীতেই সুরা আল-ইমরানের বাণী সবার দৃষ্টির সামনে কার্যকর হয়েছে। তবুও যদি শেখ হাসিনার খানিক হুঁশ হতো!

আরও পড়ুন

জামায়াতের ভ্রান্তি ও সৎ লোকের শাসন

কিন্তু অনেকের কালব বা অন্তর এত কলুষিত হয়ে যায় যে, আল্লাহর কথায় তারা সুপথে আসে না। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন, ‘এবং তোমাদের হৃদয় কঠিন হয়ে গেল, পাথরের চেয়ে কঠিনতর। এমন কিছু পাথর আছে, তা থেকে নদীনালা বের হয় এবং কিছু পাথর এমনও আছে, যা বিদীর্ণ হয়ে তা থেকে পানি নির্গত হয়। আবার কিছু পাথর এমন আছে, যা আল্লাহর ভয়ে ধসে পড়ে।’ শেখ হাসিনা যদিও তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া, ফজর নামাজের পর কোরআন তেলাওয়াত করেন বলে দাবি করতেন, কিন্তু তার এসব আমল তার মাঝে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করতে পারেনি, তার হৃদয়ের কাঠিন্য ও কটুকথা, বিদ্রুপ দূর করতে পারেনি। গোলাম আযম তাকে ‘আবেদা’ (ইবাদতকারী) অভিহিত করেছেন, হেফাজতে ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কওমি জননী’ উপাধি দিয়েছে। তা সত্ত্বেও তিনি ও তার পারিষদবর্গ তাকে ক্ষমতা থেকে এবং দেশ থেকে বিতাড়ন করাকে কোরআনের বাণী ফলে যাওয়া হিসেবে মেনে নিতে পারেননি। তার কটু-কাটব্য, প্রতিশোধ গ্রহণের আস্ফালনে কারো বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় যে, তিনি নামাজে কেবল উঠবস ও জায়নামাজে মাথা ঠেকিয়েছেন, তেলাওয়াতে কেবল কোরআনের পৃষ্ঠা উলটপালট করেছেন। এসব তার মর্মে স্থান করে নিতে পারেনি। কী করা যাবে! হেদায়াতের মালিক আল্লাহ!


বিজ্ঞাপন


Khaleda22
খালেদা জিয়ার অভূতপূর্ব জানাজা। ছবি: সংগৃহীত

যা বলছিলাম, এক মাসে এতগুলো বড় ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো ঘটেনি। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের গুরুত্ববহ ডিসেম্বর মাসের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধির সঙ্গে অনেকটা নীরবেই জাতীয় রাজনীতির হিসাবনিকাশে অনেক পরিবর্তনও এনেছে। আর মাত্র এক মাস সাত দিন পর অনুষ্ঠেয় বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ডিসেম্বরের পূর্ব পর্যন্ত দেশে যে রাজনৈতিক চিত্র বিরাজ করছিল, তা সহসাই পাল্টে গেছে। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মুখ্য দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। জুলাই বিপ্লবে নেতৃত্বদানকারী তরুণদের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচনে অংশ নিলেও তারা এককভাবে সুবিধা করতে পারবে না বলে জামায়াতের জোটভুক্ত হয়েছে। বিভিন্ন ইসলামি দল দেশজুড়ে তাদের ‘বিপুল’ জনসমর্থন দাবি করলেও রাজনৈতিক তারা গ্রহণযোগ্য নয়। তাছাড়া বিএনপি ও জামায়াত ছাড়া অন্য দলগুলো একান্তই পীর ও ব্যক্তিনির্ভর। তবে ১৯৭৩ ও ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম ও দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়া এবারই সর্বাধিকসংখ্যক ইসলামি দল সর্বাধিকসংখ্যক প্রার্থীসহ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে।

আরও পড়ুন

বিএনপির লাগামহীন রাজনীতি

২০২৪ এর ৫ আগস্টের পর দেশে মানুষের মাঝে, বিশেষ করে জামায়াতসহ সকল ইসলামি দলের উচ্ছ্বাসে মনে হয়েছে, দেশে ইসলামি হুকুমত কায়েম হয়ে গেছে। বিএনপি পর্যন্ত কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। কারণ আওয়ামী সরকার বিএনপিকে নেতৃত্বশূন্য করার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছিল, তা ষোলকলায় পূর্ণ হয়েছিল। বিপ্লবের পর দলটির এতদিন নিষ্ক্রিয় ছোটখাট নেতা ও কর্মীরা প্রতিরোধহীনভাবে লুণ্ঠন, চাঁদাবাজি ও দখলে নেমে একদিকে বিএনপির ইমেজ খারাপ করেছে, অপরদিকে জনগণকে অতিষ্ঠ করে ফেলেছিল। অল্প সময়ের মধ্যে তাদের মনে হতে থাকে যে, তারা গরম কড়াই থেকে গনগনে চুলার মধ্যে পড়েছে। যেই আওয়ামী লীগ, সেই বিএনপি। বিকল্প কী? জামায়াতে ইসলামী। ভারতীয় উপমহাদেশে ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলাদেশ ছাড়া আর কোথাও কখনো এতটা জনপ্রিয়তা লাভ করেনি। অন্তর্বর্তী সরকার জামায়াতকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সামরিক বাহিনী জামায়াতের প্রতি দুর্বলতা প্রদর্শন করছে, ভারতীয় কূটনীতিসহ বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা জামায়াতের আমিরের সঙ্গে বৈঠক করছেন, অসুস্থ হলে তারা হাসপাতালে ছুটে যাচ্ছেন। আশু আরোগ্য কামনা করছেন। অভাবিতপূর্ণ সব ব্যাপার-স্যাপার। অতএব সকল বিবেচনায় জামায়াতের মাঝে এবার তারা ক্ষমতায় আসীন হতে যাচ্ছে এমন একটি মনোভাব জামায়াতের নেতাকর্মী ছাড়াও জনগণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের মধ্যে বিরাজ করছিল।

জুলাই বিপ্লবে জামায়াতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকার কারণে তরুণ সমাজের কাছে তারা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে জনপ্রিয়। আওয়ামী লীগ সরকারের তিনটি মেয়াদে জামায়াতের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীর ওপর কীভাবে জুলুম চালানো হয়েছে, প্রহসনের বিচারে কীভাবে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করা হয়েছে, জনগণ তা প্রত্যক্ষ করে জামায়াতের প্রতি দুর্বলতা ও সহানুভূতি অনুভব করেছে। জামায়াতের প্রতি জনসমর্থনও আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। সন্দেহ নেই যে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তারা অতীতের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে বেশি আসন লাভ করবে, কিন্তু তাদের প্রাপ্ত আসনসংখ্যা কোনো অবস্থাতেই সরকার গঠন করার মতো হবে না। এমনকি জামায়াতকেন্দ্রিক সম্ভাব্য জোটে যারা শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে, তারাও এমনসংখ্যক আসন লাভ করতে পারবে না, যা তাদের জামায়াতের নেতৃত্বে কোয়ালিশন সরকার গঠনের সুযোগ এনে দেবে। দৈবচক্রে যদি এমন কিছু ঘটেও যায়, ইসলামি দলগুলোর চিরাচরিত অন্তঃকলহ অনুরূপ ধরনের কোয়ালিশন সরকারকে ক্ষণস্থায়ী করবে এবং দেশ আরেকটি বিপর্যয়ের মধ্যে নিক্ষিপ্ত হবে, যা কেউ আশা করে না।

কিন্তু তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সারাদেশে বিএনপির পক্ষে জনসমর্থনের যে জোয়ার পরিলক্ষিত হচ্ছে, তাতে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি যে জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে ধারণা করা যায়। এ সম্ভাবনার কারণেই বিএনপি কৌশলগত কারণেই তাদের সাবেক মিত্র জামায়াতকে এত দূরে ঠেলে দিতে চেষ্টা করছে যে, অতীতে জামায়াতের সমর্থনে সরকার গঠন, মন্ত্রিপরিষদে জামায়াতকে অন্তর্ভুক্ত করা ও রাজপথে একযোগে এরশাদ ও হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস বিএনপি ভুলেই গেছে। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে কিছু কিছু বিএনপি নেতা জামায়াতকে আওয়ামী লীগের ভাষায় আক্রমণ করতে শুরু করেন। এর পেছনে আওয়ামী স্টাইলে বিএনপির এককভাবে ক্ষমতাসীন হওয়ার মোহ কাজ করে থাকতে পারে।

tarek_
তারেক রহমানের দেশের ফেরা পাল্টে দিয়েছে অনেক হিসাব-নিকাশ। ছবি: সংগৃহীত

এমনকি বিএনপির অনেক নেতা ক্ষমতাসীন হওয়ার ঐশী প্রত্যাদেশ লাভের মতো আচরণ শুরু করেন। বিএনপি জুলাই বিপ্লবের আকস্মিক সুবিধাভোগী হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচন প্রশ্নে তারা জুলাই বিপ্লবীদের এনসিপিকে আমলেই নেয়নি। ২০২৪ এর শেষ দিনগুলোতে বিএনপি জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলতে শুরু করেছিল, যা এখনো জামায়াতে ইসলামী এখনো বলছে, বিএনপিকে বলছে। কিন্তু তারেক রহমান ফিরে আসার পর বিএনপি জাতীয় সরকারের প্রস্তাবনা থেকে সম্পূর্ণ ইউ টার্ন নিয়েছে। নির্বাচনে বিজয় অবশ্যম্ভাবী দেখলে কোনো দল জাতীয় সরকারের তোয়াক্কা করে না। স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবকে মওলানা ভাসানী, অধ্যাপক মুজাফফর আহমদসহ প্রায় সকল নেতা ও বামপন্থী বুদ্ধিজীবীরা দেশগঠনে জাতীয় সরকার গঠন করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তা আমলে নেননি। দলীয় সরকার গঠন করেছিলেন।  অতএব, বিরাজমান নির্বাচনি উত্তাপে বোঝা যায়, সুষ্ঠু হোক, আর কারচুপির নির্বাচন হোক, বিএনপি পরবর্তী সরকার গঠন করবে এবং জামায়াতে ইসলামী একক বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হবে। এটাও জামায়াতে ইসলামীর জন্য হবে বড় একটি অর্জন।

আরও পড়ুন

হাসিনাই তার পিতাকে ঘৃণার সমুদ্রে ডুবিয়েছেন

এখন যা প্রয়োজন, যেকোনো মূল্যে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠান। নির্বাচন বিলম্বিত করায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর সরকারের যে ভাবমূর্তি ছিল, জনগণ সরকারের ওপর যে আস্থা রেখেছিল, এমনকি নির্বাচন না দিয়ে তাঁকে পাঁচ বছর পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনের জন্য জনগণের পক্ষ থেকে আওয়াজ তোলা হয়েছিল, কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চরম ব্যর্থতার কারণে এখন তাঁর ও তাঁর সরকারের শুরুর দিকের জনপ্রিয়তা এবং উজ্জ্বল ও ভাবমূর্তির ছিটেফোঁটাও আর অক্ষুণ্ন নেই। জনগণ নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা দিয়ে অবিলম্বে অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায় কামনা করছে।

লেখক: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী প্রখ্যাত সাংবাদিক

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর