বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

সংস্কৃতির শেকড়

মো. ফরহাদ আলী শুভ
প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০২৩, ০৩:৫৬ পিএম

শেয়ার করুন:

সংস্কৃতির শেকড়

বাঙালির নিজস্ব শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের পুণ্যভূমি ষোড়শ মহাজনপদের বঙ্গ, পুন্ড্র, সমতট, হরিকেল, গৌড় জনপদের সমন্বয়ে আজকের বাংলাদেশ। লোকনৃত্য, জারি, সারি, আউল, বাউল, মুর্শিদী, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, পল্লীগীতি, লোকগীতি, ফোক ও ফোকলোর, লালনগীতি, নজরুলগীতি, রবীন্দ্রগীতি, হাসান রাজার গান, পপগান, আধুনিক গান, যে গানগুলোর গীতিতে গীতিকার সংস্কৃতির রসদ অতি যত্নে পরিবৈশিক প্রেক্ষাপটে পরিবেশন করেছে; সুস্থ মস্তিষ্কের মনন চর্চার পরিপূর্ণ ইতিবাচক মানসিকতার বিকাশ হোক সে অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, আধুনিকতার দাপটে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অতীতের মতো এই সংস্কৃতির চর্চায় অবক্ষয় ঘটেছে; যুগের স্রোতের অশ্লীল চর্চায় বিদেশি সংস্কৃতির রূপ রূপান্তরের রূপায়নে। সচেতন নাগরিকদেরও আজ বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে এই শিল্পগুলোর চর্চা করতে দেখা যায় না, তাদের মধ্যেও বিদেশি সংস্কৃতির ঝোঁক মস্তিষ্কে জেঁকে বসেছে। আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে নিষেধ করছি না, কিন্তু দেশীয় সংস্কৃতি গুরুত্ব দিয়ে তারপর অন্য সংস্কৃতির কথা ভাবলে কি বেজায় দোষ হয়ে যাবে। প্রশ্ন রেখে গেলাম আপনাদের কাছে।

আসুন সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বাঙালির অতীত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন রসদ নতুন রূপে বিকৃত না করে উপযুক্ত পরিকল্পনায় প্রযুক্তির সাহায্যে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তুলি। যা সংস্কৃতির সার্চলাইট হিসেবে আলো ছড়িয়ে যাবে স্মার্ট বাংলাদেশে। আমি সংস্কৃতির উদাহরণ হিসেবে প্রথমে সঙ্গীতের দিক নিয়ে আলোচনায় তুলে ধরলাম। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভারতীয় জনপ্রিয় শিল্পী এ আর রহমানের বাংলাদেশের জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের ‘কারার ঐ লৌহকপাট’ গানের মূল সুর বিকৃত করে হিরো আলমের মতো উপস্থাপনের ঘটনার প্রেক্ষাপটে। দেখুন ভারতীয় জনপ্রিয় শিল্পীর কাছে এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমি মনে করব সংস্কৃতির সাহিত্যিক অঙ্গনে তীর ছোঁড়া, যা গায়কের অদূরদর্শিতার অভাব। তাহলে ভাবুন, ভবিষ্যতে আমাদের সংস্কৃতির বেহাল দশা কেমন হতে পারে। কিন্তু এ আর রহমান মূল সুর বিকৃত না করে সঠিক সুরে তার সিনেমায় বাস্তবতার নিরিখে কবির এই বিখ্যাত সৃষ্টিকে ব্যবহার করলে অবশ্য তা প্রশংসনীয় হতো। কিন্তু তা করা হয়নি। এখানে ভারতীয় জনপ্রিয় শিল্পী পুরোপুরি ব্যর্থ বলতেই হবে। হয়তোবা তিনি ভেবেছেন, জোড়াতালি দিয়ে নতুন আঙ্গিকে নতুন নজরুলের ঝংকার তুলব আমি; তা কি হয় বলুন!

নজরুল তো নজরুলই, রবীন্দ্রনাথ তো রবীন্দ্রনাথই, জসীমউদদীন তো জসীমউদদীনই, বঙ্গবন্ধু তো বঙ্গবন্ধুই, লালন তো লালনই। এককথায় বাঙালির সংস্কৃতি তো বাঙালির আত্মা। তাই সুশীল সমাজ, সাংস্কৃতিক সচেতন মহল শুধু আলোচিত সংস্কৃতির দিকগুলো নয়, অতীতের সংস্কৃতির যা হারিয়ে যেতে বসেছে, সেই সাংস্কৃতিক দিকগুলো যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অবিকৃতভাবে নতুনরূপে, আধুনিক প্রেক্ষাপটে তুলে ধরুন। সচেতনতা সৃষ্টি করে উপযুক্ত পরিকল্পনায় পরিকল্পিত পদ্ধতিতে।

নিজের সন্তানকে, নিজের শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিজ নিজ অবস্থানে, কর্মপরিসরে সংস্কৃতির নানা গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর তাৎপর্য সম্পর্কে জানুন, বলুন। এভাবেই তো এক এক করে দুই, দুই থেকে তিন এভাবেই একসময় সতের কোটি মানুষের চিন্তায় ও হৃদয়ে সংস্কৃতির প্রতি উদারতার মনোভাব জন্মাবে; তারা তাদের শেকড়কে অনুসন্ধান করবে, তা হবে অনুসিন্ধ্যসুৎ হৃদয়ে ও পলকে। সঙ্গীতের এই দিকগুলোর পাশাপাশি আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতির কৃষ্টি কালচার, প্রথাগত রীতিনীতিও লালন-পালন করে ধারণ করতে হবে সংস্কৃতি রক্ষায়।

এবার আসুন সংস্কৃতির আরেক দিক প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের সংক্ষিপ্ত বয়ানে - আজকের বাঙালির যে উন্নয়নের মহাযাত্রা ও প্রযুক্তির অগ্রগতি কয়েকশ বছর পূর্বেও কিন্তু বাঙালির সংস্কৃতির শেকড়ে উন্নয়নের বিকাশ ও প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায়। কালের মহাযাত্রায় বাংলার আবহাওয়া ও জলবায়ুগত কারণে রাজনৈতিক উত্থান-পতনে অনেক ঐতিহ্য হারিয়ে গেছে। কিন্তু উন্নয়নের যে বিকাশ পুরোপুরি তো শেষ হওয়ার কথা নয়। কিছু এখনো কালের সাক্ষী হয়ে অতন্দ্র প্রহরীর মতো টিকে আছে ইতিহাসবিদ, প্রত্নতাত্ত্বিক ও ইতিহাস সচেতন মহলের জন্য। কিন্তু তা যথাযথ সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ, অনেক সময় দায়িত্ব অবহেলা, বাজেট বরাদ্দের ঘাটতি, স্থানীয় জনগণের কাণ্ডহীন কর্মকাণ্ডের ফলে তা হুমকির মুখে। আর বর্তমান সময়ে  গ্লোবাল ওয়ার্মিং বৃদ্ধির কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। মানবসৃষ্ট কারণ আদিযুগ থেকে প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের ধ্বংস সাধন করেছে অতি উৎসাহী হয়ে ও অজ্ঞতার অভাবে আর প্রাকৃতিক কারণ রয়েছে যুগ যুগ ধরে। তাই সময় থাকতে উপযুক্ত পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা নেওয়া দরকার সংস্কৃতির অস্তিত্ব রক্ষায়। এসব সমস্যার গল্প শেষে এবার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের পরিচয় তুলে ধরি এবং বর্তমান প্রজন্মের কাছে যে যার অবস্থান ও সুযোগ থেকে এগুলো রক্ষায় উদ্যোগী ও তাৎপর্য সম্পর্কে জানাই তা পালনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত দায়বদ্ধতা থেকে।

মোটাদাগে প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য বলতে আমরা সহজভাবে প্রত্ননির্দশন, বিভিন্ন প্রত্নস্থল, ঐতিহাসিক স্থাপনাকে বলি। প্রত্ননির্দশন হলো মৃৎপাত্র, মুদ্রা, ভার্স্কয, বিভিন্ন হাতিয়ার, অলংকার, তাম্রশাসন, শিলালিপি ইত্যাদি। অর্থ্যাৎ প্রত্ননির্দশন হলো প্রাচীন মানুষের সংস্কৃতির বিভিন্ন বস্তুগত ব্যবহৃত জিনিসপত্র বা অতীতে তাদের নিত্যদিনের সাথে সম্পর্কিত ছিল, যা আপনারা কিছু নির্দশন হিসেবে বর্তমান সময়ে জাদুঘরে দেখতে পাবেন। আশা করি জাদুঘর কী সেটা সবাই জানেন, আমার মতো করে বলি। জাদুঘর হলো, প্রাচীন ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত তাৎপর্যপূর্ণ বিভিন্ন প্রত্ননিদর্শন প্রদর্শনের স্থান; সেই প্রদর্শনী যার সাহায্যে জনগণ বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে ও গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারে। তাই এই বিষয়ে জানতে আমি আপনাদের অনুরোধ ও আহ্বান করব পরিবার-পরিজন নিয়ে জাদুঘর পরিদর্শনে।

নিজ পরিবারকে নিয়ে, নিজ অফিসের ট্যুরে, নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে, নিজ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে আপনার নিজ নিজ জেলায় বা পাশের জেলায় বা বিভাগে অবস্থিত জাদুঘর পরিদর্শন করুন। শুধু মুখে মুখে, ভাষণে, বক্তৃতায়, সভা, সেমিনারে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির কথা বললে হবে না। আগে নিজে দেখে আসুন, জানুন, তারপর না হয় বলুন। তবেই মানানসই হয়। আমি এ কথা বললাম এজন্য, এর মধ্যে আমিও আছি। আশা রাখি দেশের গুরুত্বপূর্ণ অনেক জাদুঘর, ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্য সম্পর্কিত স্থান দেখা হয়েছে, তা সম্পর্কে জানাও হয়েছে। বাকি জানার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

আবহমান অতীতের সংস্কৃতির শেকড় খুঁজতে পরিদর্শন করতে পারেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, চট্টগ্রাম, ময়নামতি জাদুঘর, মহাস্থান জাদুঘর, খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক জাদুঘর, বাগেরহাট জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, রংপুর ও দিনাজপুর জাদুঘর, লালবাগদূর্গ জাদুঘর, আহসান মঞ্জিল জাদুঘর, রকস মিউজিয়াম, পঞ্চগড়, নজরুল সংগ্রহশালা, জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা, লোকশিল্প জাদুঘর, নারায়ণগঞ্জ ইত্যাদি। এতে আপনার মনগহীনে নতুন উদ্দীপনা ও কৌতূহলী মনোভাব সৃষ্টি করবে সংস্কৃতির শেকড় সম্পর্কে। সংস্কৃতির অংশ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ও ঐতিহাসিক স্থাপত্য সম্পর্কে অবগত হতে আপনাদের বিভিন্ন প্রাচীন বিহার, মন্দির, মসজিদ, গির্জা, ঐতিহাসিক ভবন সম্পর্কে জানতে হবে, পরিদর্শন করতে হবে এবং তা রক্ষায় সচেতন হতে হবে।

‌বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতির অংশ হিসেবে রয়েছে প্রাগৈতিহাসিক প্রত্নস্থান সিলেটের চাকলাপুঞ্জি, মেগালিথিক স্থান হিসেবে জৈন্তাপুর, সিলেট; প্রাচীন যুগের প্রত্নস্থান দূর্গনগরী মহাস্থানগড়, বগুড়া; বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ সোমপুর বিহার, নওগাঁ; উয়ারী-বটেশ্বর, নরসিংদী; ময়নামতি প্রত্নস্থল, কুমিল্লা; সীতাকোট বিহার, দিনাজপুর; ভরতভয়না যশোর; হরিশ্চন্দ্র রাজার ঢিবি, সাভার; নটেশ্বর দেউল মন্দির, বিক্রমপুরি বিহার, মুন্সিগঞ্জ; ভেতরগড় দূর্গ ও মির্জাপুর শাহী মসজিদ, পঞ্চগড়; রোয়াইল দুর্গ, নেত্রকোণা; সুলতানি, মোগল, কলোনিয়াল নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে বাবা আদম শাহী মসজিদ ও সোনাকান্দা; ইদ্রাকপুর দুর্গ, মুন্সিগঞ্জ; বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ ষাট গম্বুজ মসজিদ, বাগেরহাট; ছোট সোনা মসজিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি ও গোয়ালদি মসজিদ, হাজীগঞ্জ দূর্গ এবং কদম রসুল, নারায়ণগঞ্জ; লালবাগ দুর্গ, ঢাকা; বাঘা মসজিদ, রাজশাহী; আতিয়া মসজিদ, টাঙ্গাইল; এগারসিন্ধু, কিশোরগঞ্জ; কান্তজীর মন্দির, দিনাজপুর; পুঠিয়া পঞ্চরত্ন মন্দির, রাজশাহী; জোড় বাংলা মন্দির, পাবনা;  উত্তরা গণভবন, নাটোর; সেন্ট রোজারিও চার্চ, সেন্ট নিকোলাস চার্চ ইত্যাদি। কলোনিয়াল সময়ের  নিদর্শনের মধ্যে জমিদারকেন্দ্রিক প্রাসাদ বেশি পাওয়া যায়। এসব ঐতিহ্য  যা আমাদের আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সর্বোপরি বাঙালির পরিচয়। ‌কিন্তু তা বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার ও এগুলো দেখভাল করার প্রতিষ্ঠান প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের জনবল সংকট, দক্ষ গবেষক ও জনবলের অভাবের কারণেই অনেকগুলো ধ্বংসের পথে।

সংস্কৃতির সেক্টর বিভিন্নভাবে আলোচনা করা যায়। সংস্কৃতির গুরুত্ব অনুধাবনে আমাদের নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলো ও এর সাথে সম্পর্কিত ইতিহাস ঐতিহ্য রক্ষা করতে হবে। এছাড়াও বিভিন্ন উৎসব নববর্ষ, ঈদ, পূজাপাবর্ণ, গ্রামীণ বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান, লোকসাহিত্য, লৌকিক দেবদেবী, লোকনৃত্যসহ বিভিন্ন সংস্কৃতি সম্পর্কিত তথ্য রক্ষায় ও পালনে সুস্থ চর্চা অব্যাহত থাকুক।

বচনে, বাক্যে, ভাষণে, কথনে আসুন সংস্কৃতি জেনে বুঝে সংস্কৃতির শেকড় রক্ষায় হাজার মূল্যবান উক্তির মাঝে বাঙালির সংস্কৃতির শেকড়ের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে মা মাটি রক্ষায় প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রাখি সমাজের আলোকায়নে। সুস্থ প্রজন্ম রক্ষায় নিজ নিজ অবস্থানে একটু কর্মস্পৃহা নিয়ে হাজার বছরের গর্ব অহংকারকে আরও হাজার বছর বাঁচিয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই সদিচ্ছার অকাট্য দলিল দস্তাবেজ প্রামাণিক তথ্যের আলোকে। সর্বোপরি শিক্ষা ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে সংস্কৃতির শেকড়কে সুন্দরভাবে উপস্থাপন হতে পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সমস্বরে বলি-

‘সংস্কৃতির সংস্করণ নয়

সংস্কৃতির সহজাত হয়ে

লালনে পালনে চর্চায় চর্চিত হোক

সুস্থ সমাজের আলোর দিশারি হয়ে।’

লেখক: উপ শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর