গণমাধ্যমকর্মী আইন বিল সংসদে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৮ মার্চ ২০২২, ০৬:৩৯ পিএম
গণমাধ্যমকর্মী আইন বিল সংসদে
ফাইল ছবি

একাদশ জাতীয় সংসদের সপ্তদশ অধিবেশনের প্রথম দিনেই চাকরির শর্তাবলী সম্পর্কিত গণমাধ্যমকর্মী বিল উপস্থাপন করা হয়েছে। পরে বিলটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এই বিলের ওপর রিপোর্ট দিতে বলেছে সংসদ।

সোমবার (২৮ মার্চ) বিকেলে চলমান সংসদের ১৭তম অধিবেশনের শুরুর দিনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।

গণমাধ্যম মালিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সম্পর্ক এবং তাদের মধ্যকার বিরোধ উপস্থাপন ও নিষ্পত্তি, নিম্নতম বেতন হার নির্ধারণ, গণমাধ্যমকর্মীদের কল্যাণ ও চাকরির শর্ত এবং কর্মপরিবেশসহ গণমাধ্যম কর্মীদের আইনি সুরক্ষা প্রদানে আনা চাকরির শর্তাবলীর আইনি কাঠামো দিতেই বিলটি আনা হয়েছে।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদে পাস ও উত্থাপনের জন্য এখন পর্যন্ত সংসদ সচিবালয়ের আইন শাখায় ১৫টি বিল জমা পড়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি বিল কমিটিতে পরীক্ষাধীন, ছয়টি পাসের অপেক্ষায় এবং চারটি উপস্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছে। পাসের অপেক্ষায় থাকা বিলগুলো হলো—মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বিল-২০২১, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পেটেন্ট বিল-২০২১, সরকারি ঋণ বিল ২০২১, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিল-২০২১ ও বয়লার বিল- ২০২১।

সংসদীয় কমিটিতে পরীক্ষাধীন বিলগুলো হলো—বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বিল ২০২১, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন (সংশোধন) বিল-২০২২, বাণিজ্য সংগঠন বিল-২০২২, জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল-২০২২ ও  স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল-২০২২। আর সংসদে উত্থাপনের জন্য যে বিলগুলো জমা পড়েছে সেগুলো হলো—বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ বিল-২০২২, পেমেন্ট অ্যান্ড সেলেটমেন্ট সিস্টেমস বিল-২০২২, বৈষম্য বিরোধী আইন-২০২২ ও গণমাধ্যম কর্মী (চাকরির শর্তাবলি) বিল- ২০২২।

সংসদের আজকের বৈঠকে বিদুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের ২০২০-২১ অর্থবছরের নিরীক্ষিত হিসাব ও আর্থিক বিবরণী উপস্থাপন করবেন। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল উপস্থাপন করবেন বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২০-২১, বাজেট ২০২১-২১: দ্বিতীয় প্রান্তিক (জুলাই-ডিসেম্বর) পর্যন্ত বাস্তবায়ন ও আয়-ব্যয়ের গতিধারা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন।

টিএ/জেবি