বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ৪৪০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৭২৪ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ৫ কোটি ৮৭ লাখ ৪ হাজার ৮৭৯ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটার সংখ্যা ৮৩৭ জন।
জাতীয় ভোটার দিবসে বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) সকালে প্রকাশিত হালনাগাদ করা চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় এই তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, চূড়ান্ত হিসাবে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৪৩০ জন। আর ভোটার বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। এর আগে হালনাগাদ শেষে সারাদেশে প্রকাশিত খসড়া তালিকা অনুযায়ী দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১১ কোটি ৩২ লাখ ৮৭ হাজার ১০ জন।
ইসির প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে আরও জানা যায়, সারাদেশে হালনাগাদকালে মৃত ভোটার কর্তন হয়েছে ২২ লাখ ৯ হাজার ১২৯ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮৭২ জন ও নারী ভোটারের সংখ্যা ৮ লাখ ৩০ হাজার ২৫৭ জন।
গত বছরের ২০ মে থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত চার ধাপে তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন করে ইসি। হালনাগাদের খসড়া তালিকা পূর্ব ঘোষিত সময় (এ বছর ১৫ জানুয়ারি) অনুযায়ী প্রকাশ করা হয়। এটি বিভিন্ন জনবহুল স্থানে প্রকাশ্যে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেন কারও কোনো ভুল থাকলে আবেদন সংশোধনের সুযোগ পান। এ ক্ষেত্রে দাবি, আপত্তি বা সংশোধনের আবেদন করার শেষ সময় ছিল ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। অর্থাৎ দাবি, আপত্তি বা সংশোধনের জন্য সময় ছিল ১৬ দিন। সবশেষ সংশোধনকারী কর্তৃপক্ষের সেই আবেদন নিষ্পত্তির পর হালনাগাদকৃত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হলো। আর এবারের হালনাগাদ কার্যক্রমের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০৬ কোটি ৬৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা, যা আগেরবারের চেয়ে ২৬ কোটি টাকা বেশি।
ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচবার ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। এরমধ্যে ২০০৯-২০১০ সাল, ২০১২-২০১৩ সাল, ২০১৫-২০১৬ সাল, ২০১৭-২০১৮ সাল ও ২০১৯-২০২০ সালে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালনা করে ইসি।
বিইউ/আইএইচ




