সিনেপ্লেক্সসহ সব উপজেলায় হবে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র 

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ০৩:৩৬ পিএম
সিনেপ্লেক্সসহ সব উপজেলায় হবে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র 

সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা ছড়িয়ে দিতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করবে সরকার। যে কেন্দ্রে একটি সিনেপ্লেক্স ও লাইব্রেরিও থাকবে। তবে শুরুতে ১০০ উপজেলায় হবে এই সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডিসিদের আলোচনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সরকারের এই পরিকল্পনার কথা জানান সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী।

কে এম খালিদ বলেন, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রথমে আমরা ১০০ উপজেলা টার্গেট করে কাজ শুরু করব। এর মধ্যে ৩৫টি উপজেলার উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রায় চূড়ান্ত। টাঙ্গাইলের যে ভাসানী হল আছে সেটির ডিপিপি প্রণয়ন প্রায় চূড়ান্ত। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে আশা করছি তা হয়ে যাবে। মোট ৪৯২টি উপজেলাতেই আমাদের কার্যক্রম শুরু করতে চাইছি। যেন সব জায়গায় সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ে।

জঙ্গিবাদ রুখে দিতে সাংস্কৃতিক চর্চার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক সময় আমাদের জারি-সারি, বাউল ও যাত্রাসহ সবই চলতো। সে জায়গায় আমরা ফিরে যেতে চাই, যেন সংস্কৃতি দিয়ে আমরা জঙ্গিবাদকে রুখে দিতে পারি। আমাদের যে সাংস্কৃতিক সংস্থাগুলো আছে তাদের আমরা উদ্বুদ্ধ করি এবং প্রায় ১ হাজার ৪০০ সংগঠনকে বাৎসরিক অনুদান দেই। আবেদনের ভিত্তিতে আমরা এসব দিচ্ছি যেন আমাদের জেলা শিল্পকলা একাডেমি সাংস্কৃতিক উনন্নয়নে কাজে লাগতে পারে।

তিনি জানান, আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে এরই মাঝে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের চিঠি দিয়েছি। কোথাও কোনো কালচারাল আয়োজন করতে কোনো পূর্বানুমতির দরকার নেই বলে তাদের জানিয়েছি। শুধু লক্ষ্য রাখতে হবে- সেই জায়গাতে যেন সংস্কৃতির মাঝে অপসংস্কৃতি না ঢুকে।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলা একাডেমির একটি নীতিমালা রয়েছে। সে অনুযায়ী যারা স্টল পাওয়ার পাবে। মতপ্রকাশের অধিকার সবার আছে, কিন্তু তার মানে এই না যে কেউ আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব পতাকা নিয়ে কটাক্ষ করবে। এর বাইরে সবার মতপ্রকাশের সর্বোচ্চ সুযোগ রয়েছে।

বিইউ/এইউ