বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

স্বজনদের কাছে ফিরতে চান প্রবাসী আবুল কাশেম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি ২০২৩, ০১:২৩ পিএম

শেয়ার করুন:

স্বজনদের কাছে ফিরতে চান প্রবাসী আবুল কাশেম

আবুল কাশেম (৭০) ১৬ বছর ধরে সৌদি আরবে আছেন। গত ১৪ জানুয়ারি তিনি দেশে ফিরেছেন। ট্রাভেলস পাস দিয়ে তাকে দেশে পাঠানো হয়। তার সঙ্গে কোনো পাসপোর্ট নেই। দেশে আসার পর কোথায় যাবেন কোনো হদিস পাচ্ছিলেন না। ভারসাম্যহীন অবস্থায় হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে এদিক-সেদিক ঘুরছিলেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার কাছে বাড়ির ঠিকানা জানতে চাইলে দুটি জায়গার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া তার তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে বলে জানান এই বৃদ্ধ।

এরপর থেকে ব্র্যাকের সহায়তায় আবুল কাশেমের গ্রামের বাড়ির ঠিকানা খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা চলছে। কিন্তু এখনও খোঁজ মেলেনি তার স্বজনদের। ‌আবুল কাশেম দেশে ফিরলেও তার স্বজনদের কাছে ফেরা হচ্ছে না।


বিজ্ঞাপন


প্রবাসী এই বৃদ্ধ তার তিন সন্তানের নাম জানিয়েছেন। তারা হলেন মান্নান, নূর হাসান ও এনামুল হাসান। আর যে দুটি ঠিকানা জানিয়েছেন তা হলো-চট্টগ্রামের রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের গরিশঙ্করহাট এবং মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাট‌। তিনি আরও জানিয়েছেন, তার বাবার নাম ফজলে আহমেদ। মায়ের নাম শাবানা। তার তিন মেয়ে রয়েছে বলেও জনান আবুল কাশেম।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন বিভাগের প্রধান শরিফুল হাসান জানিয়েছেন, প্রবাসী আবুল কাশেম ভারসাম্য হারিয়েছেন। ফলে তার বাড়ির আসল ঠিকানা কোনোভাবে বলতে পারছেন না। তিনি দুটি ঠিকানার কথা জানিয়েছেন। তার মধ্যে একটি চট্টগ্রামের রাউজান আরেকটি মিরসরাই। সেসব জায়গায় খোঁজ চলছে। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি তার এই ছবি দেখে তাকে চিনতে পারলে যেন আমাদের সহায়তা করেন। তিনি তার তিন সন্তানের নাম বলেছেন। এই মুহূর্তে তার কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। ফলে তাকে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ওয়েলফার সেন্টারে রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ব্র্যাকের সহায়তায় তার দুই ঠিকানা এবং তিন সন্তানের সূত্র ধরে বাড়ির আসল ঠিকানার খোঁজ চলছে। ‌‌

শরিফুল হাসান জানিয়েছেন, আবুল কাশেম গত ১৪ জানুয়ারি দেশে ফিরেন। তিনি অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন। ফলে সেদিন বিমানবন্দরে একা একা ঘুরছিলেন। ‌পরে এপিবিএনের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ব্র্যাকের হাতে তুলে দেন। দেশে আসার সময় তিনি ট্রাভেল পাস নিয়ে এসেছেন। তার সাথে কোনো পাসপোর্ট ছিল না।

ব্র্যাকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবুল কাশেম মানসিক রোগ ডিমেনসিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন। তিনি আধো আধো কথা বলতে পারেন। ‌তবে তার শারীরিক অবস্থা ভালো না।


বিজ্ঞাপন


এদিকে আবুল কাশেমকে কেউ চিনতে পারলে অথবা তার স্বজনদের কেউ খোঁজ দিতে পারবেন এমন কেউ থাকলে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের ম্যানেজার আল আমিনের সাথে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা মেইলকে তথ্য জানালে তার স্বজনদের কাছে ফিরতে সহায়তা করা হবে। ‌

এমআইকে/জেবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর