‘মাদক, জঙ্গিবাদ ঠেকাতে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৪০ পিএম
‘মাদক, জঙ্গিবাদ ঠেকাতে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই’
আসাদুজ্জামান খান কামাল (ফাইল ছবি)

মাদক, জঙ্গিবাদ ও অপসংস্কৃতি ঠেকাতে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। ‘শিল্পকলা পদক ২০১৯ ও ২০২০’ প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চা সুন্দর ও মননের শিক্ষা দেয়। তাই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাংস্কৃতিক চেতনা জাগাতে পারলে দেশের সংস্কৃতি আরও উজ্জ্বল হবে।

শিল্পকলা একাডেমি সারাদেশে মাদক ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা কর্মসূচি পালন করছে। নিয়মিত এই কর্মসূচি পালন করবে বলে প্রত্যাশা করেন স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী। এতে মাদক ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব হবে।

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে.এম খালিদের সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর।

অনুষ্ঠানে বঙ্গভবন থেকে যুক্ত হয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ‘আকাশ সংস্কৃতির বদৌলতে প্রতিনিয়ত আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ভিনদেশি সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটছে। আমাদের অপ্রয়োজনীয় ও অপসংস্কৃতি বর্জন করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ সংস্কৃতির বিকাশে তৃণমূল পর্যায়েই উদ্যোগ নিতে হবে। তাই তাদেরকে সুস্থ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে ব্যক্তি, পারিবারিক, সামাজিক ও জাতীয় পর্যায়ে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে’। সংস্কৃতির চর্চা তৃণমূল, বিশেষ করে পরিবার থেকেই শুরু করারও তাগিদ দেন রাষ্ট্রপ্রধান।

পদক প্রদানের জন্য তালিকাভূক্ত ১২টি ক্যাটাগরি কণ্ঠসঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা, চারুকলা, আবৃত্তি, ফটোগ্রাফি, যাত্রাশিল্প, চলচ্চিত্র ও লোকসংস্কৃতি, সৃজনশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সংগঠক এবং সৃজনশীল সাংস্কৃতিক গবেষক।

২০১৩ সাল থেকে শিল্পকলা পদক দেওয়া হয়। নীতিমালা অনুযায়ী ১৬ সদস্যের কমিটি প্রতি বছর পদকের জন্য গুণীজন নির্বাচন করে থাকেন।

'শিল্পকলা পদক'-এর জন্য মনোনীত ব্যক্তিদের প্রত্যেককে একটি স্বর্ণপদক, সনদপত্র ও এক লাখ টাকা দেওয়া হয়।

এমআর