সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ ধরা রোধে হেলিকপ্টারে নজরদারি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ পিএম

শেয়ার করুন:

নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ ধরা রোধে হেলিকপ্টারে নজরদারি
আকাশপথে নজরদারি জোরদার করেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী।

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকারের চলমান সংরক্ষণ কার্যক্রমে এবার আকাশপথে নজরদারি জোরদার করেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলে অবৈধভাবে মাছ ধরা বন্ধে গত ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বিশেষ হেলিকপ্টার টহল পরিচালনা করা হয়।

সোমবার (৩ নভেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে দেশের তিনটি স্থান থেকে এ কার্যক্রম চালানো হয়। ঢাকা, যশোর ও চট্টগ্রাম বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করা হেলিকপ্টারগুলো নির্ধারিত নদী ও সামুদ্রিক উপকূলীয় এলাকায় টহল দেয়।

ঢাকা থেকে পরিচালিত মিশনে মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, বরিশাল ও ভোলার নদীপথ পর্যবেক্ষণ করা হয়। যশোর থেকে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন নদী এলাকায় নজর রাখা হয়। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম থেকে কুতুবদিয়া-সংলগ্ন অঞ্চলে আকাশপথে তদারকি করা হয়।

টহল চলাকালে মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের নদীতে মাছ ধরার নৌকা শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করতে হেলিকপ্টার থেকে শক্তিশালী আলোকরশ্মি ব্যবহার করা হয়। বিশেষ এই সার্চলাইট অন্ধকারেও দূরবর্তী নৌযান শনাক্ত করতে সহায়তা করে।

রাতের অভিযান কার্যকর করতে হেলিকপ্টারে ব্যবহার করা হয় উন্নত প্রযুক্তির নাইট সান সার্চলাইট ও নাইট ভিশন গগলস (এনভিজি)। এসব সরঞ্জামের সাহায্যে কম আলোতেও নদীতে চলাচলকারী নৌযান পর্যবেক্ষণ এবং নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরার তৎপরতা শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

আকাশ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখা হয়। ফলে মাঠপর্যায়ের তদারকি ও সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা পাওয়া যায়।

আইএসপিআরের তথ্যমতে, শুধু বিশেষ সংরক্ষণ অভিযানেই নয়, নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সময়ও বিমানবাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে পরিচালিত হেলিকপ্টার উপকূলীয় এলাকায় নিচু দিয়ে উড়ে পর্যবেক্ষণ চালায়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার লক্ষ্যে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার কার্যক্রমের আওতায় জাতীয় সম্পদ ও পরিবেশ সুরক্ষায় বিমানবাহিনী এ ধরনের দায়িত্ব পালন করছে। দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ এবং জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বাহিনীটি।

এমআইকে/এআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর