বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

ভোটের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা নেই, জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী ফয়সল আমীন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ঠাকুরগাঁও
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৬ এএম

শেয়ার করুন:

ভোটের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা নেই, জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী ফয়সল আমীন
কথা বলছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তিনবার বললাম, শতভাগ।’

সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট দেন মির্জা ফয়সল আমীন। ভোট দিতে যাওয়ার আগে তিনি তার মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন।

ভোট দেওয়ার পর বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, ‘আমি ভোট প্রদান করেছি। সবেমাত্র ভোট শুরু হয়েছে। প্রত্যাশা তো অবশ্যই জয়। আমরা নিরঙ্কুশ জয় লাভ করব, ইনশা আল্লাহ।’

ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, তিনি বাসা থেকে বের হয়ে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে এসেছেন। তাই এ মুহূর্তে সার্বিক পরিবেশ নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। তবে তার ধারণা, ভোট উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি কোনো শঙ্কা দেখছেন না।

আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, এ প্রশ্নের উত্তর প্রশাসনই দিতে পারবে। তার কাছে এলাকার সব ভোটারই তার ভোটার। সবাই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে চান। প্রশাসন কোনো কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

ভোটার উপস্থিতি নিয়েও আশাবাদী বিএনপির এই প্রার্থী। তিনি বলেন, আবহাওয়া কিছুটা খারাপ এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি হতে পারে। উপনির্বাচন হলেও ভোটারদের অংশগ্রহণ ভালো হবে বলে তিনি আশা করছেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের ৯৮৯টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণের সময় নির্ধারিত রয়েছে।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবির ২১ প্লাটুন সদস্য, ২ হাজার ২৭২ জন পুলিশ সদস্য এবং ২ হাজার ৪০৫ জন আনসার সদস্য। নির্বাচনী আচরণবিধি ও অনিয়ম তদারকিতে দায়িত্ব পালন করছেন নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির সদস্য এবং বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।

এদিকে চারজন বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ মোট ১৭৭ জন দেশি ও স্থানীয় পর্যবেক্ষক নির্বাচনের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন।

টিএই/এআরএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর