বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে থাকবে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫০ পিএম

শেয়ার করুন:

প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে থাকবে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা
ছবি: ঢাকা মেইল
  • সামনে থাকবে সোয়াত, ডিবি ও পোশাকধারী পুলিশ
  • শুভ বিজয়া বিসর্জন র‍্যালি পলাশী হয়ে হাইকোর্ট দিয়ে ওয়াইজঘাট

শারদীয় দুর্গাপূজা আজ শেষ হচ্ছে। বিকেল তিনটার পর থেকে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম শুরু হবে। বিসর্জনের আগমুহূর্ত পর্যন্ত থাকবে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিমা বিসর্জনের র‍্যালিতে পুলিশের বিশেষ টিম সোয়াত ও ডিবি ছাড়াও ডিএমপির কয়েক শতাধিক পুলিশ সদস্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।

ডিএমপি এবং লালবাগ বিভাগের একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সামনে গিয়ে দেখা যায়, মোড়ে রাখা হয়েছে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের একটি গাড়ি এবং গেটের সামনে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রস্তুত রয়েছেন কয়েক শতাধিক পুলিশ সদস্য ও এপিবিএন (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) সদস্যরা। এ ছাড়াও ঘটনাস্থলে প্রস্তুত রাখা হয়েছে কুইক রেসপন্স টিম। কোনো নারী যেন হয়রানির শিকার না হন এবং এমন কোনো ঘটনা ঘটলে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সামনে তিন রাস্তার মোড়ে ভাসমান দোকানগুলো তুলে দেওয়া হচ্ছে। এসেছেন পুলিশ, এপিবিএন, সিটিটিসি, ডিবি, সোয়াতের একাধিক সদস্য এবং কর্মকর্তারা। তারা নিজে উপস্থিত থেকে পুরো নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভাল করছেন। 

নিউমার্কেট এলাকা থেকে এসেছেন সুজন রায় এবং তার পরিবার। তিনি বলছিলেন, আজ শেষ দিন। এ কারণে আরেকবার দেখতে আসলাম। মাকে তো বিকেলে বিসর্জন দেওয়া হবে।

প্রতিমা বিসর্জনের শেষ দিনে শারদীয় দুর্গাপূজায় অংশগ্রহণের স্মৃতিটুকু অমলিন করে রাখতে অনেকে প্রধান গেটের আশপাশে ছবি তুলতে ভুলছেন না।

চকবাজার থেকে এসেছেন পূর্ণিমা। তিনি বলছিলেন, আজ শেষদিনে এখানে এসে খুব কষ্ট লাগছে। কিছুক্ষণ পর মাকে বিসর্জন দেওয়া হবে। মা যদি আরও কয়েকদিন থাকতেন ভালো লাগত।

প্রতিমা বিসর্জনের ঠিক আগ মুহূর্তে পলাশী, ঢাকেশ্বরী, হাইকোর্ট, পল্টন, গুলিস্তান ও ওয়াজঘাট এলাকা পর্যন্ত ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যানজট এড়াতে প্রয়োজনে ডাইভারশন দেওয়া হবে। 

Idol_immersion2

ঢাকেশ্বরী মোড়ের দায়িত্ব পালনকারী ট্রাফিকের ইন্সপেক্টর দেবাশীষ বলেন, তিনটার পর থেকে বিসর্জন শুরু হবে। এজন্য আমরা রাস্তাঘাট পরিষ্কার করছি। বিসর্জনের ঠিক আগ মুহূর্তে প্রয়োজন হলে ডাইভারশন দেওয়া হবে। 

চকবাজারের এসি ফেরদৌস বলেন, তারা তিনটা থেকে বিসর্জন শুরু করবে। এজন্য কয়েক স্তরে নিরাপত্তা থাকবে। সাদা পোশাকের পাশাপাশি পোশাকধারী পুলিশ থাকবে। 

ডিএমপি লালবাগ বিভাগের চকবাজার জোনের এডিসি সুমন রেজা ঢাকা মেইলকে বলেন, প্রায় দুই থেকে আড়াইশ পুলিশ সদস্য বিসর্জনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে। এই সংখ্যার মধ্যে সোয়াত, ডিবি, এপিবিএন ও ডিএমপির সদস্যরা ছাড়াও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কাজ করবেন।

এমআইকে/এসএইচ/এসআই

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর