- মিরপুর-১-এ ফুটপাত ছাড়িয়ে সড়ক দখল
- উচ্ছেদ অভিযানেও স্থায়ী সমাধান নেই
- ফুটপাতের ওপর মোটরসাইকেল পার্কিং
- উচ্ছেদ অভিযানে ১০৮৩টি মামলা
- উচ্ছেদে অপসারণ ১২০০ অস্থায়ী অবকাঠামো
- ফুটপাতের স্থায়ী মুক্তি চান নগরবাসী
ঢাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এর সুফলও পাচ্ছে রাজধানীবাসী। মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত দীর্ঘ এলাকার ফুটপাত এখন অনেকটাই হকারমুক্ত। আগে যেখানে পোশাক, জুতা, বইসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা নিয়ে বসতেন হকাররা, সেখানে এখন স্বচ্ছন্দে হাঁটতে পারছেন পথচারীরা। খোলামেলা হয়ে উঠেছে সড়কও। এতে স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে।
তবে পাশাপাশি থাকা মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় দেখা যাচ্ছে ঠিক উল্টো চিত্র। মুক্তিযোদ্ধা হকার্স মার্কেটের দুই পাশের ফুটপাত ও সংলগ্ন সড়কের একটি অংশ এখনও হকারদের দখলে। শুধু ফুটপাত নয়; মূল সড়ক দখল করে চালাচ্ছে রমরমা ব্যবসা। পোশাক, জুতা, প্রসাধনী, শাকসবজি ও বিভিন্ন পণ্যের দোকানে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পথচারীদের চলাচলের পথ। হাঁটার জায়গা না পেয়ে মানুষকে নামতে হচ্ছে মূল সড়কের ভেতরে। এতে যানজটের পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
স্থানীয় বাসিন্দারা নগর ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন, একই সিটি করপোরেশনের অধীন দুই এলাকায় ফুটপাতের এমন বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে। একদিকে উচ্ছেদ অভিযানের পর ফুটপাত দখলমুক্ত থাকায় নাগরিকেরা স্বচ্ছন্দে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছেন, অন্যদিকে বারবার অভিযান চালিয়েও দখল ঠেকানো যাচ্ছে না। কোথাও উচ্ছেদের সুফল মিললেও কোথাও ফুটপাত ফিরে যাচ্ছে আগের অবস্থায়। ফলে উচ্ছেদ অভিযান শুধু সাময়িকভাবে দোকান সরানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে কি না, নাকি ফুটপাত স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিনে মিরপুর-১ ও মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এবং আশপাশের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
মিরপুর-১০ নম্বরে সুফল
মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত সড়ক ও ফুটপাতের বড় অংশ এখন আগের তুলনায় অনেকটাই ফাঁকা। একসময় ফুটপাতজুড়ে পোশাক, জুতা, বই, চশমা, ঘড়ি ও বিভিন্ন পণ্যের দোকান বসত। পথচারীদের চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়ায় অনেককে সড়কে নেমে হাঁটতে হতো। এখন সেই চিত্রের পরিবর্তন হয়েছে। প্রশস্ত ফুটপাত দিয়ে স্বচ্ছন্দে চলাচল করছেন মানুষ। সড়কও দেখাচ্ছে খোলামেলা।
গোলচত্বর থেকে ফায়ার সার্ভিস ভবনসংলগ্ন সড়ক ধরে মিরপুর-১ ও মিরপুর-২ নম্বরের দিকে যাওয়ার পথে ফুটপাতের এই পরিবর্তন চোখে পড়ে। ফায়ার সার্ভিস ভবনের নির্মাণকাজ চললেও সড়কের পাশের ফুটপাতে আগের মতো দোকানপাট দেখা যায়নি। মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন ফুটপাতও প্রায় হকারমুক্ত। একইভাবে ফায়ার সার্ভিসের বিপরীত পাশে মেডিনোভা হাসপাতাল থেকে মিরপুর-২ নম্বরের মিরপুর শপিং সেন্টার পর্যন্ত ফুটপাতেও পোশাক ও জুতার পসরা নিয়ে বসেননি হকাররা।
পুরোনো ওভারব্রিজ ও কোচিং সেন্টারের সামনের অংশ, শাহ আলী মার্কেট থেকে মিনার্ভা সিএনজি স্টেশন পর্যন্ত এলাকা এবং শাহ আলী মার্কেটের দ্বিতীয় গেটসংলগ্ন সড়কেও আগের মতো হকারদের দোকান দেখা যায়নি। রাড্ডা হাসপাতালের বিপরীত পাশের সড়ক এবং মিরপুর-২ নম্বর থেকে আইডিয়াল স্কুল ও সি ব্লকের হোপ স্কুলমুখী সড়কের ফুটপাতও অনেকটাই দখলমুক্ত।
মিরপুর-১০ নম্বর থেকে মিরপুর-১৩ নম্বর সেকশনের দিকে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়েও প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে। সড়ক ও ফুটপাতের ওপর আগের মতো ভ্রাম্যমাণ দোকান নেই। মাথার ওপর ছাউনির মতো করে কাঠ-বাঁশের সঙ্গে বেঁধে রাখা পলিথিন বা ত্রিপলও চোখে পড়েনি। ফলে শুধু ফুটপাত নয়, সড়কের পাশের পরিবেশেও পরিবর্তন এসেছে।

তবে পুরো এলাকা যে দখলমুক্ত, তা বলা যাচ্ছে না। কয়েকটি স্থানে ফলের খাবার, সিগারেট, মোবাইল ফোনের স্ক্রিন প্রটেক্টর, সিম, ঘড়ি ও অন্যান্য ছোট পণ্য নিয়ে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের বসতে দেখা গেছে। কোথাও ফুটপাতের ওপর রাখা হয়েছে মোটরসাইকেল। কিছু জায়গায় হকারদের পণ্য বহনের গাড়ি ও কাঠের কাঠামো পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ছিন্নমূল মানুষের বিশ্রাম নেওয়ার দৃশ্যও চোখে পড়েছে। অর্থাৎ বড় দোকান ও স্থায়ী কাঠামো সরলেও ফুটপাতের প্রতিটি অংশ এখনো পথচারীদের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়নি।
শিক্ষার্থী আবরার নাহিয়ান জানান, এখন সড়কে স্বচ্ছন্দে হাঁটাচলা করা যায়। সড়কটি যে এত বড় এবং পাশে হাঁটার জন্য ফুটপাত রয়েছে, আগে তা বোঝার উপায় ছিল না।
মিরপুর-১০ নম্বরের ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন পথচারী রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আগে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে গেলে হকারদের দোকান ও ক্রেতাদের ভিড়ের কারণে বারবার বাধার মুখে পড়তে হতো। অনেক সময় বাধ্য হয়ে সড়কে নেমে হাঁটতে হতো। এখন ফুটপাত অনেকটাই ফাঁকা থাকায় স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করা যাচ্ছে। তবে এই অবস্থা ধরে রাখতে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।
আরেক পথচারী নাসরিন আক্তার বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত থাকলে নারী, শিশু ও বয়স্কদের চলাচল অনেক সহজ হয়। আগে ফুটপাতের ওপর দোকান থাকায় অনেক সময় সড়কে নেমে হাঁটতে হতো, যা ঝুঁকিপূর্ণ। এখন পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে কিছু জায়গায় ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা ও মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের কারণে চলাচলে বাধা তৈরি হচ্ছে। পুরো ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে সিটি করপোরেশনের নিয়মিত তদারকি করা উচিত।
মিরপুর-১ নম্বরে উল্টো চিত্র
মিরপুর-১০ নম্বরের কয়েক কিলোমিটার এলাকার ফুটপাত যখন অনেকটাই ফাঁকা, তখন মিরপুর-১ নম্বরে ফুটপাত দিয়ে স্বাভাবিকভাবে হাঁটার সুযোগই মিলছে না অনেক ক্ষেত্রে। মুক্তিযোদ্ধা হকার্স মার্কেটের দুই পাশের ফুটপাতের বড় অংশজুড়ে বসেছে বিভিন্ন পণ্যের দোকান। পোশাক, জুতা, প্রসাধনী, শাকসবজি ও অন্যান্য পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। দোকানের সামনে ক্রেতাদের ভিড় থাকায় পথচারীদের চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, ফুটপাতের ওপর দোকান বসানোয় পথচারীদের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। কোথাও দোকানের পসরা, কোথাও ক্রেতাদের ভিড়, আবার কোথাও পণ্য কেনাবেচার ব্যস্ততায় ফুটপাত দিয়ে এগোনো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে অনেক পথচারী বাধ্য হয়ে মূল সড়কে নেমে হাঁটছেন।
ফুটপাতের এই দখল শুধু মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত করছে না, সড়কেও চাপ বাড়াচ্ছে। পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্ধারিত জায়গা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের যানবাহনের পাশ দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে। একই সড়কে বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন চলাচলের সময় পথচারীদের এভাবে সড়কে নেমে পড়া দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। ব্যস্ত সময়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

বিশেষভাবে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য এই পরিস্থিতি ভোগান্তিকর। ফুটপাত দিয়ে হাঁটার জায়গা না থাকলে তাদের যানবাহনের ফাঁক দিয়ে চলাচল করতে হয়। কোথাও কোথাও সড়কের ওপর দোকান বসানোর কারণে যানবাহনের চলাচলের জায়গাও সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এতে যানজটের পাশাপাশি পথচারী ও চালকদের মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় এর আগেও একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানের সময় দোকানপাট সরিয়ে ফুটপাত খালি করা হলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। ফলে অভিযান চালানোর পরও স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখা যাচ্ছে না ফুটপাত।
এই পরিস্থিতিতে স্থানীয়রা বলছেন, উচ্ছেদ অভিযানের পর এত দ্রুত একই জায়গায় আবার দোকান বসানোর সুযোগ কীভাবে তৈরি হচ্ছে? যদি অভিযান চালিয়ে অবৈধ দোকান সরানো হয়, তাহলে অভিযান শেষ হওয়ার পর সেগুলো আবার ফিরে আসছে কেন? উচ্ছেদের পর নিয়মিত তদারকি না থাকলে কিংবা দখল ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সুযোগ থেকে যায়।
চাঁদা আদায়ের অভিযোগ
মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের অংশ দখল করে দোকান বসানোর পেছনে প্রভাবশালী মহল ও কিছু অসাধু ব্যক্তির ছত্রচ্ছায়া রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাদের দাবি, অর্থের বিনিময়ে নির্দিষ্ট জায়গায় দোকান বসানোর সুযোগ দেওয়া হয়। উচ্ছেদ অভিযানের সময় দোকান সরিয়ে দেওয়া হলেও পরে কারা আবার দোকান বসাচ্ছেন, তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে কি না এবং ফুটপাত দখল ঠেকাতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর নজরদারি কতটা কার্যকর, এসব প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন।

ফুটপাত ও সড়কের অংশ দখলদারি নিয়ে সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনও করেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান (ব্যারিস্টার আরমান)। তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ঢাকা সিটি করপোরেশন কি পাপেলের ভয়ে এসব জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে না? মিরপুর-১ নম্বরের ফুটপাত এখনো দখল হয়ে আছে। মিরপুর মডেলের সামনে অবৈধ বাজার পূর্ণোদ্যমে চলছে। গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের বিস্তীর্ণ জায়গা দখল করে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে দোকানপাট চলছে। বালুর গদিতে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি চলছে। এখানে উচ্ছেদ অভিযান কোথায়? পুলিশ তো কাজ করতে পারছে না। সিটি করপোরেশন কি পাপেল চক্রের ভয়ে এখানে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে না? এই প্রশ্ন আপনাদের মাধ্যমে জনগণের কাছে রেখে গেলাম।’
উচ্ছেদ অভিযান ও নজরদারি
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে প্রায় দেড়শ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে এক হাজার ২০০টি অস্থায়ী অবকাঠামো অপসারণ করা হয়েছে এবং ১৫ দশমিক ৫ কিলোমিটার ফুটপাত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া এসব ঘটনায় এক হাজার ৮৩টি মামলা করা হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ফুটপাতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে যে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি তা চলমান থাকবে এবং এই অভিযান কখনো থামবে না। তবে, উচ্ছেদ অভিযান ও হকারদের বিষয়ে কারো সু-পরামর্শ থাকলে গ্রহণ করা হবে। জনগণের পথ চলাচলের ফুটপাত জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে এবং কেউ যদি আবার বসে তাহলে আরও দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে কঠোর অবস্থানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, জনগণের স্বার্থে এবং নৈতিকতার দিক দিয়ে বিবেচনা করে প্রতিটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সেখানে গাছ লাগানোর মাধ্যমে ঢাকাকে সবুজায়ন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তোলা হবে।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, শুধু অভিযান চালিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। ফুটপাত কার জন্য, কীভাবে ব্যবহার হবে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য কী ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা থাকবে, সেই পরিকল্পনা একসঙ্গে করতে হবে। তা না হলে উচ্ছেদের পর কিছুদিন পরিস্থিতি ভালো থাকলেও আবার দখল ফিরে আসার আশঙ্কা থাকবে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সাবেক সভাপতি পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ বলেন, হকার উচ্ছেদ শুধু একটি এলাকার সমস্যা সমাধানের বিষয় নয়, এটি জাতীয়ভাবে বিবেচনা করার মতো একটি বিষয়। জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিতভাবে এর সমাধান না করে শুধু হকার উচ্ছেদ করলে তা স্থায়ী সমাধান হবে না। এতে সাময়িকভাবে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সুফল ধরে রাখা সম্ভব হবে না। এজন্য বিষয়টিকে সামগ্রিকভাবে বিশ্লেষণ করে টেকসই সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।
এএইচ/এসআই




