শিক্ষা খাতের তথ্য-উপাত্ত আদান-প্রদানে আন্তঃসংযোগ (ডাটা ইন্টারঅপারেবিলিটি) নিশ্চিত করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ও বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) প্রতিনিধিদের সঙ্গে আগামী রোববার (১৮ অক্টোবর) বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ইসির এনআইডি অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক মুহ.সরওয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে বিষয়টি জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৮ অক্টোবর রোববার ১৮ অক্টোবর দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নির্বাচন ভবনে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সভাপতিত্বে ‘এপিআই’ এর মাধ্যমে পারস্পরিক তথ্য-উপাত্ত আদান-প্রদান (ডাটা ইন্টারঅপারেবিলিটি) বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফর এবং বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) এর প্রতিনিধি দলের সাথে সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকার জন্যও চিঠিতে বলা হয়েছে।
জানা যায়, বর্তমানে এনআইডি নিবন্ধন বা তথ্য সংশোধনের জন্য নাগরিকদের জমা দেওয়া কাগজপত্র ম্যানুয়ালি যাচাই করতে হয়। স্বয়ংক্রিয় যাচাইব্যবস্থা না থাকায় অনেক সময় জাল কাগজপত্র, ভুয়া শিক্ষা সনদ, পাসপোর্ট ও জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে আবেদন করা হয়।
এতে আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগে, আবার অনেক আবেদন বাতিলও হয়ে যায়।এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাসপোর্ট, শিক্ষা সনদ, জন্মনিবন্ধনসহ সরকারি ৯টি প্রতিষ্ঠানের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে এনআইডি সিস্টেম সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসাবে ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক শেষ করেছে। এখন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ও বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) সঙ্গে বৈঠকে বসছে।
এপিআই চেয়ে যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দিয়েছিল ইসি- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন শাখা এবং আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন নিবন্ধন অধিদফতর বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিভাগ।
এমএইচএইচ/এএম




