মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ ও ভূমি দখলবাজরা যে পরিচয় বা অবস্থানেই থাকুক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দীন আহমদ।
তিনি বলেছেন, ‘এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না।’
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ডিএমপি সদর দফতরের সম্মেলন কক্ষে সেপ্টেম্বর-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ডিএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার।
তিনি বলেন, ‘অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে। স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অপরাধের কারণ চিহ্নিত করে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
সভায় ঢাকা মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন ও প্রবণতা পর্যালোচনা করা হয়। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন ডিএমপি কমিশনার।
এছাড়া অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি থানা এলাকায় বিট পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। স্থানীয় নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে সামাজিক অপরাধ কমিয়ে আনার নির্দেশনাও দেন।
অপরাধ সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস), ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোহাম্মদ শামসুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপির সকল থানার অফিসার ইনচার্জরা ও বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমআইকে/এএইচ



