যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঢাকার নবাবগঞ্জে প্রশিক্ষণকালীন হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া র্যাবের এয়ার উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনের মরদেহ দেশে এসেছে।
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ইসমাইল হোসেনের নিথর মরদেহ বুধবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাতটার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পৌঁছায়।
বিজ্ঞাপন
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক সিনিয়র এএসপি আ ন ম ইমরান খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার পর ইসমাইল হোসেনের মরদেহ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। মরদেহ গ্রহণ করেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
আরও উপস্থিত ছিলেন র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস্) কর্নেল মো. কামরুল হাসান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ, র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈনসহ র্যাবের অন্য কর্মকর্তারা।
বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সেরে ফ্রিজিং ভ্যানে করে মরদেহ নেওয়া হয় ইসমাইলের নিজ এলাকা রাজধানীর কালশীতে। সেখানে রাত নয়টায় বাইতুর রহমান জামে মসজিদে প্রথম জানাজা হয়।
বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর কুর্মিটোলায় র্যাব সদর দফতরে দ্বিতীয় জানাজা হবে। এরপর ঢাকার সেনানিবাস কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তৃতীয় জানাজা শেষে মরদেহ বনানীর সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
বিজ্ঞাপন
গত ২৭ জুলাই প্রশিক্ষণকালীন হেলিকপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঢাকার নবাবগঞ্জে দুর্ঘটনার শিকার হন। এতে মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত পান র্যাবের এয়ার উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল ইসমাইল। তাকে উদ্ধার করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৫ আগস্ট সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

৬ আগস্ট তার মেরুদণ্ডের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। কিন্তু অন্যান্য শারীরিক জটিলতার কারণে অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত মঙ্গলবার না ফেরার দেশে চলেন যান তিনি।
ইসমাইল হোসেনের বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি পিতা-মাতা, স্ত্রী ও দুই ছেলে সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এমআইকে/এমআর




