বাংলাদেশের প্রযুক্তি, পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী উত্তর-পূর্ব ইউরোপের দেশ লিথুয়ানিয়া। এ জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় দেশটি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানান লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রবিষয়ক ভাইস মিনিস্টার ভিডমান্টাস ভার্বিকাস।
লিথুয়ানিয়ার এই আগ্রহকে স্বাগত জানান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক। তবে এ জন্য দেশটির ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার পরামর্শ দেন তিনি। ফজলুল হক বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অন্য দেশে যেতে হওয়ায় তাঁদের জন্য বিষয়টি বেশ কষ্টসাধ্য।
বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য লিথুয়ানিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক। তিনি বলেন, লিথুয়ানিয়ার উন্নত প্রযুক্তি, পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ লাভবান হতে পারে।
লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রবিষয়ক ভাইস মিনিস্টার বলেন, ইউরোপের পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাজার সম্প্রসারণ করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশকে এ অঞ্চলের একটি কৌশলগত বাণিজ্যিক হাব হিসেবে ব্যবহারের আগ্রহের কথাও জানান তিনি।
ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে ভিডমান্টাস ভার্বিকাস বলেন, ঢাকায় ভিসা সেবাকেন্দ্র চালু করা কিংবা শেনজেনভুক্ত অন্য কোনো দেশের কনস্যুলেটের মাধ্যমে ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা সহজ করার উপায় খোঁজা হচ্ছে।
আগামী বছর লিথুয়ানিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘ডিজিটেক সামিট’ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামে অংশ নিতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রবিষয়ক ভাইস মিনিস্টার ভিডমান্টাস ভার্বিকাস।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মো. আলমগীর, ভারতে নিযুক্ত লিথুয়ানিয়া দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন লুকাস কিসিয়েলিউস এবং লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ইন্দো-প্যাসিফিক রিজিয়নের অ্যাটাশে ক্রিসটিনা প্রমুখ।
এমআর/এআর




