দুর্গাপূজার বেচাকেনা বাড়াতে দোকানপাট ও বিপণিবিতান রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আগামীকাল সোমবার থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত এই সুযোগ দেওয়ার দাবি করেছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।
এ দাবিতে গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে চিঠি দিয়েছেন সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন ও মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া। আজ রোববার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানায় দোকান মালিক সমিতি।
চিঠিতে ব্যবসায়ীরা বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সারা দেশের দোকানপাট ও বিপণিবিতান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করা হচ্ছে। জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যবসায়ীরা সহযোগিতা করে আসছেন। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও জ্বালানিসংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দাভাব চলছে। এতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের আর্থিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ঈদ ও দুর্গাপূজার মতো উৎসবের সময় বেচাকেনা কিছুটা বাড়ে। এ সময় দোকান খোলার সময় বাড়ানো হলে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। লোডশেডিং পরিস্থিতিও আগের তুলনায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার অনুমতি চেয়েছেন তাঁরা।
জ্বালানিসংকট তীব্র হওয়ার পর গত এপ্রিলে দোকান ও বিপণিবিতান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সরকার। তখন ব্যবসায়ীরা রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ চেয়েছিলেন। পরে সরকার সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা করে। কোরবানির ঈদের আগে অবশ্য এ সময়সীমা শিথিল করা হয়।
এরপর গত ১২ আগস্ট সরকার দোকানপাট ও বিপণিবিতান রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশনা দেয়। এতে বলা হয়, বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ এবং আলোকসজ্জা পুরোপুরি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এআর




