বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

নেতৃত্ব সীমাবদ্ধ না রেখে আজীবন চর্চার অংশ হিসেবে নিতে হবে: ড. মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম

শেয়ার করুন:

নেতৃত্ব সীমাবদ্ধ না রেখে আজীবন চর্চার অংশ হিসেবে নিতে হবে: ড. মঈন খান
রাজধানীর কেআইবিতে গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানসহ অতিথি ও শিক্ষার্থীবৃন্দ

নেতৃত্বকে কোনো প্রশিক্ষণ বা কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে আজীবন চর্চার অংশ হিসেবে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ যাত্রার শেষ নয়, বরং শুরু। প্রতিদিন নিজেকে নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (কেআইবি) বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের (বিওয়াইএলসি) ‘বিল্ডিং ব্রিজেস থ্রু লিডারশিপ ট্রেনিং (বিবিএলটি)’ এবং এর জুনিয়র সংস্করণ ‘বিবিএলটিজে’-এর ২০২৬ সালের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মসূচি দুটিতে সহায়তা করেছে বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডস রাজ্যের দূতাবাস।

অনুষ্ঠানে বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম ও মাদ্রাসা পটভূমির ৫২১ জন গ্র্যাজুয়েট অংশ নেন। বিবিএলটি ও বিবিএলটিজে কর্মসূচির মাধ্যমে তারা নেতৃত্ব, সমালোচনামূলক চিন্তা, সমস্যা সমাধান ও যোগাযোগের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মের নেতৃত্বের দক্ষতা বিকাশে বিওয়াইএলসির ভূমিকার জন্য আমি তাদের সাধুবাদ জানাই। তবে মনে রাখবে, এই প্রশিক্ষণ তোমাদের যাত্রার শেষ নয়। এটি শুরু। নেতৃত্ব একটি আজীবন চর্চা, তাই প্রতিদিন নিজেকে প্রস্তুত করতে থাকো।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডস রাজ্যের রাষ্ট্রদূত বোরিস ভ্যান বোমেল অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন। 

তিনি বলেন, বর্তমান সময়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নেতৃত্ব প্রয়োজন। এজন্য তরুণদের একসঙ্গে কাজ করা, পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং অর্থবহ পরিবর্তনে নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

বিওয়াইএলসির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারপারসন ইজাজ আহমেদ তরুণদের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং গোষ্ঠীকেন্দ্রিক মানসিকতাকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরেন। এআই ব্যবহারের পাশাপাশি তরুণদের নিজস্ব চিন্তাশক্তি ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

ইজাজ আহমেদ বলেন, ‘বিক্ষিপ্ত মনোযোগের এই পৃথিবীতে নেতৃত্বের কাজ হলো, যে বিষয়গুলো তোমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলোর প্রতি শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে মনোযোগ দেওয়া। এআই ব্যবহার করো, কিন্তু নিজের চিন্তার দায়িত্ব কখনো এর ওপর ছেড়ে দিও না। ভবিষ্যৎ তাদেরই হবে, যারা এখনও নিজেরা চিন্তা করতে পারে।’

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীরা ‘লিডারশিপ ইন অ্যাকশন’ প্রকল্পও সম্পন্ন করেন। এসব প্রকল্পে তারা সমালোচনামূলক চিন্তা, যোগাযোগ, দলগত কাজ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজেদের কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় কাজ করেন।

এমএইচ/এএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর