মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

রোডক্র্যাশে বেশি হতাহত তরুণরা, সড়ক নিরাপত্তা আইন দাবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম

শেয়ার করুন:

রোডক্র্যাশে বেশি হতাহত তরুণরা, সড়ক নিরাপত্তা আইন দাবি

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় (রোডক্র্যাশ) তরুণ ও যুবকেরা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণা ও সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তরুণদের সম্পৃক্ততা ও হতাহতের হার বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। 

তরুণদের একটি বড় অংশ মোটরসাইকেল ব্যবহার করায় অতিরিক্ত গতি, হেলমেটের সঠিক ব্যবহার না করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংসহ বিভিন্ন কারণে তারা সড়কে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। 

ফলে তরুণদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ যানবাহন, মানসম্মত হেলমেট, সিটবেল্ট এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি সেবাকে সমন্বিত করে কার্যকর সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

‘সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইনের পক্ষে তরুণদের আহ্বান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ দাবি উঠে আসে। 

মঙ্গলবার রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের সভাকক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নিরাপদ যানবাহন, গতি নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত হেলমেট এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি সেবা নিয়ে প্যানেল আলোচনা হয়। পাশাপাশি ‘রোড সেফটি আইন কেন দরকার ও তরুণদের ভূমিকা’ শীর্ষক সেশনে সড়ক নিরাপত্তায় তরুণদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িংয়ের সমন্বয়কারী মারজানা মুনতাহার সঞ্চালনায় কর্মশালায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী শারমিন রহমান।

এসময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশনের সদস্য মো. ইস্তিয়াক ইমন, মিশন গ্রিন বাংলাদেশের সদস্য মো. ইফরাত হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবক সমন্বয়কারী মো. আরমান হোসাইন রায়েদ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল স্টুডেন্ট সোসাইটির সদস্য নওশীন নাওয়ার আচল।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় তরুণদের ঝুঁকির চিত্রও উদ্বেগজনক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিএইচও) হিসাবে, সড়ক দুর্ঘটনা বিশ্বব্যাপী ৫–২৯ বছর বয়সিদের মৃত্যুর প্রধান কারণ। অতিরিক্ত গতি, নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহারে অনীহা এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসা ও জরুরি সেবা না পাওয়ায় দুর্ঘটনার ক্ষতি বেড়ে যেতে পারে। তাই সড়ক নিরাপত্তায় যানবাহন, গতি নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ব্যবহারকারীর আচরণ এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী সেবাকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তারা আরও বলেন, আইন প্রণয়নের পাশাপাশি এর যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি তরুণদের মতামত ও উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

এমআইকে/এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর