সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

‎কিশোর গ্যাং নির্মূলে মূলহোতাদের ধরতে কাজ করছে এসআরবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম

শেয়ার করুন:

‎কিশোর গ্যাং নির্মূলে মূলহোতাদের ধরতে কাজ করছে এসআরবি
এসআরবির হাতে গ্রেফতার এক কিশোর গ্যাং লিডার

কিশোর গ্যাং নির্মূলে তাদের মূলহোতাদের শনাক্ত এবং গ্রেফতার করতে কাজ করছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এক্ষেত্রে ‘শর্টকাট সমাধান’ করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন এসআরবি-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।
‎
‎সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
‎
নয়মুল হাসান বলেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানার আরশিনগর এলাকার একটি সেলুনে ঢুকে আরমানসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে এবং চাপাতি দিয়ে ‘পাটালী গ্রুপের’ ফরহাদকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
‎
‎এ ঘটনায় নিহত ফরহাদের মা নাছিমা বেগম বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি ১৬ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় ৩০২/৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়। 

এর ধারাবাহিকতায় ২৮ সেপ্টেম্বর ভোরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার তিন নম্বর আসামি আরমান মোহাম্মদপুর থানাধীন বুদ্ধিজীবী ১ নম্বর রোড এলাকায় অবস্থান করছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

S
কিশোর গ্যাং সদস্যদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্র ও পিস্তল

এ সময় তার কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি সামুরাই উদ্ধার করা হয়। পরে তার ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে আরও চারটি সামুরাই এবং মোহাম্মদপুরের কাটাসুর এলাকায় শ্রমিকদের অস্থায়ী টিনশেড ঘরে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
‎
‎এসআরবি-২-এর অধিনায়ক জানান, ‘আরমান-শাহরুখ’ গ্রুপের আরেক শীর্ষ সদস্য আরমানকে গত ১৬ আগস্ট গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফরহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

আরমানের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় দাঙ্গা, চুরি, হত্যাচেষ্টা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে পাঁচটি মামলা রয়েছে। তিনি এর আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিলেন।
‎
‎নয়মুল হাসান বলেন, ‘আপনি যদি শর্টকাট সলিউশন চান, এটা ভুল হবে। এ ধরনের গ্রুপ (কিশোর গ্যাং) যাতে ভবিষ্যতে গড়ে উঠতে না পারে এবং তাদের কার্যক্রম যাতে বন্ধ করা যায়, সে বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা আছে।’
‎
‎এসআরবি-২-এর অধিনায়ক আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে তাদের গবেষণা ও উন্নয়ন (আরএনডি) সেল কাজ করছে। খুব শিগগিরই এসব অপরাধী গ্রুপের কার্যক্রমের পেছনের কারণগুলো চিহ্নিত করে আরও বিস্তৃতভাবে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
‎
‎একেএস/এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর