রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

দেশের অর্থনীতি পুনরুত্থানে অগ্রাধিকার চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব: স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম

শেয়ার করুন:

দেশের অর্থনীতি পুনরুত্থানে অগ্রাধিকার চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব: স্বপন
চীনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সম্মানে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন

দেশের অর্থনীতির পুনরুত্থান ও বিকাশে চীনের সঙ্গে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করাকে অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে সফররত চীনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সম্মানে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সফররত প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ইউনান প্রাদেশিক কমিটির স্থায়ী কমিটির সদস্য কমরেড ঝাও জুনমিন। অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ চীনা প্রতিনিধি দলের সদস্য ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে তা আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম বড় চালিকাশক্তি চীনের উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত সুবিধা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে দেশের অর্থনৈতিক পুনরুত্থান আরও ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ঘাটতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, চীন থেকে বাংলাদেশ প্রতিবছর ২২ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের পণ্য আমদানি করলেও দেশটিতে বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ এক বিলিয়ন ডলারেরও কম। এই বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনা সরকার বাংলাদেশি পণ্যে প্রায় শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহরে বিনামূল্যে একটি প্রদর্শন কেন্দ্র ও দুই হাজার বর্গকিলোমিটার সুবিধার স্টোরেজ বরাদ্দ দিয়েছে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কুনমিং থেকে মিয়ানমার হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে নতুন অর্থনৈতিক করিডোর উন্মোচিত হলে বাংলাদেশ ও চীন উভয় দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।

আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের মেয়াদ শেষে বিদায় নিতে যাওয়া চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের কূটনৈতিক অবদানেরও প্রশংসা করেন তিনি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এম/এফএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর