ভিআইপি সংস্কৃতি ও সময়ের অপচয় কমাতে বিমানবন্দরে পরিমার্জিত প্রটোকল অনুসরণের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ভুল ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরে প্রটোকল সীমিত করেছে সরকার। নতুন রীতি অনুযায়ী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে নির্দিষ্ট চারজনই উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, ভিআইপি সংস্কৃতি ও সময়ের অপচয় কমাতে বিমানবন্দরে পরিমার্জিত প্রটোকল অনুসরণের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ভুল ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব পোস্টে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, কেন তিন বাহিনীর প্রধান ও কূটনীতিকরা বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন না।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০২৬ সালের ৫ মার্চের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচারে বড় ধরণের পরিবর্তন আনা হয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিমানবন্দরে সর্বসাকুল্যে চারজন নির্দিষ্ট কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবেন: মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম একজন মন্ত্রী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা ত্যাগের সময় এই নতুন প্রটোকল মেনেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিব উপস্থিত থেকে তাঁকে বিদায় জানান।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্র্বতী সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হয়। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।
‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।
এএইচ




