মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ইতালির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে মৎস্য ও মৎস্য চাষ, প্রাণিসম্পদ, সামুদ্রিক মৎস্য এবং ব্লু ইকোনমির বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ইতালির রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএওর সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সাইডলাইনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি এবং ইতালির কৃষি, খাদ্য সার্বভৌমত্ব ও বন মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি অব স্টেট লুইজি দে'এরামোর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ এবং সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি, কর্মসংস্থান ও মানুষের জীবিকার ক্ষেত্রে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিরা কৃষক কার্ডের আওতায় আসবেন। কৃষকদের মতো তারাও সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, টেকসই, জলবায়ু-সহনশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর মৎস্য ও মৎস্য চাষ ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। এ ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে ইতালির সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদারের সুযোগ রয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময় ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বৈঠকে মৎস্য, ব্লু ইকোনমি ও প্রাণিসম্পদ খাতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে উভয় দেশ আগ্রহ প্রকাশ করে। এ লক্ষ্যে পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।
বৈঠকে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ টি এম রকিবুল হক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. সাইফুল ইসলাম, ইকনমিক কাউন্সিলর মো. আল আমিনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
এএইচ/এআর




