শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওমান থেকে আসা এক যাত্রীর ব্যাগেজ ও দেহ তল্লাশি করে ৫৩১ গ্রাম স্বর্ণ আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। এর মধ্যে ব্যাগেজে বিশেষ কৌশলে লুকানো পেস্ট থেকে ৪২৫ গ্রাম ২৪ ক্যারেটের স্বর্ণপিণ্ড এবং প্যান্টের পকেট থেকে ১০৬ গ্রাম ওজনের ৩৫ পিস স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। আটক স্বর্ণের শুল্ক-করসহ আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি ৪১ হাজার ৫৫৫ টাকা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ সেপ্টেম্বর নির্ভরযোগ্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত সালামএয়ারের একটি ফ্লাইটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাসকাট থেকে আসা ফ্লাইটের যাত্রী মোহাম্মদ হাসান মুরাদ বিমানবন্দরে অবতরণের পর কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের টিম অন্যান্য সংস্থার উপস্থিতিতে কাস্টমস হলরুমে তার ব্যাগেজ ও দেহ তল্লাশি করে।
তল্লাশির একপর্যায়ে যাত্রীর ব্যাগেজের ভেতরে স্কচটেপ দিয়ে বিশেষ কৌশলে মোড়ানো পেস্ট আকারের স্বর্ণসদৃশ বস্তু পাওয়া যায়। পরে স্বর্ণ কারিগরের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণের পর ওই পেস্ট থেকে ৪২৫ গ্রাম ওজনের ২৪ ক্যারেটের স্বর্ণপিণ্ড পাওয়া যায়।
এ ছাড়া দেহ তল্লাশির সময় যাত্রীর প্যান্টের পকেট থেকে ১০৬ গ্রাম ওজনের বিভিন্ন ধরনের ৩৫ পিস স্বর্ণালংকার আটক করা হয়।
পেস্ট থেকে পাওয়া স্বর্ণপিণ্ড ও স্বর্ণালংকার মিলিয়ে আটক স্বর্ণের মোট ওজন দাঁড়ায় প্রায় ৫৩১ গ্রাম। এসব স্বর্ণের শুল্ক-করাদিসহ আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি ৪১ হাজার ৫৫৫ টাকা।
বিশেষ কৌশলে স্বর্ণ লুকিয়ে আনার ঘটনায় আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর জানিয়েছে, স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে আরও কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, স্বর্ণের উৎস ও গন্তব্য কোথায় এবং এর নেপথ্যে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হবে।
এমআর/এফএ




