রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

গরমে হাঁসফাঁস নগরজীবনে স্বস্তির বৃষ্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ এএম

শেয়ার করুন:

গরমে হাঁসফাঁস নগরজীবনে স্বস্তির বৃষ্টি
তীব্র গরমের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি। সকাল বারিধারা এলাকা থেকে তোলা ছবি।

কয়েক দিনের তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছিল রাজধানীর জনজীবন। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ নগরবাসীর মধ্যে স্বস্তি এনে দিয়েছে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালের ঝুম বৃষ্টি। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার আকাশ ভেঙে নেমে আসে বৃষ্টি। এতে কিছুটা হলেও প্রাণ ফিরে পেয়েছে নগরবাসী। বিপরীতে সকালে কর্মস্থলমুখী মানুষ ও পথে বের হওয়া অনেককে পড়তে হয়েছে ভোগান্তিতেও।

নতুনবাজার, বারিধারা, বাড্ডা, রামপুরা এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

rain-2আজ ঢাকায় বৃষ্টি হতে পারে এমন পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদফতর। ভোর থেকেই ঢাকার আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। সাড়ে ৭টার দিকে শুরু হয় বৃষ্টি। প্রথমে হালকা থাকলেও একপর্যায়ে তা ঝুম বৃষ্টিতে রূপ নেয়। বৃষ্টির সঙ্গে কিছুটা বাতাসও ছিল। এতে গরমের মধ্যে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

তবে ছুটির পর সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় রাজধানীর সড়কে বের হওয়া মানুষে বিপাকে পড়েন। কয়েক দিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় অনেকেই ছাতা ছাড়াই বাসা থেকে বের হন। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হওয়ায় তাদের কেউ আশ্রয় নেন দোকানের সামনে বা ভবনের নিচে। আবার অনেকে বৃষ্টি মাথায় নিয়েই কর্মস্থলের দিকে রওনা দেন।

rain_dm-1ছাতা যাদের সঙ্গে ছিল, তারাও পুরোপুরি বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা পাননি। ঝুম বৃষ্টি ও হালকা বাতাসের কারণে ছাতার নিচে শরীরের ওপরের অংশ কোনোভাবে শুকনো রাখা গেলেও অনেকের কোমরের নিচের অংশ ভিজে যায়। ভেজা পোশাক ও জুতা নিয়েই তাদের গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা যায়।

ছাতা না থাকা অনেককে আবার মাথা ঢাকতে ব্যাগ, পলিথিন কিংবা হাতের কাছে থাকা অন্য কিছু ব্যবহার করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ বৃষ্টি থেকে বাঁচতে দৌড়ে আশ্রয় খুঁজেছেন। অনেকে দোকানের বারান্দা ও ভবনের প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

বৃষ্টিতে বিপাকে পড়েন মোটরসাইকেল আরোহীরাও। কেউ রাস্তার পাশে মোটরসাইকেল থামিয়ে বৃষ্টি কমার অপেক্ষা করেন। আবার কেউ রেইনকোট পরে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন।

rain-dm-3বৃষ্টির প্রভাব পড়ে সড়কের যান চলাচলেও। সকালবেলার ব্যস্ত সময়ে ঝুম বৃষ্টি শুরু হওয়ায় অনেক সড়কে যানবাহনের গতি কমে যায়। কালো মেঘে দিনের আলোও অনেকটা কমে আসায় বেশ কিছু গাড়িকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।

তবে ভোগান্তির মধ্যেও বৃষ্টিতে স্বস্তি পেয়েছেন নগরবাসী। বৃষ্টিতে ভিজে কর্মস্থলে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মী ফয়সাল ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘ছাতা না আনায় বৃষ্টিতে ভিজে গেছি। তবে খারাপ লাগছে না। কয়েক দিন ধরে যে গরম পড়ছিল, তাতে এই বৃষ্টি সত্যিই অনেক স্বস্তি দিয়েছে।’

এমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর