মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

‘শাহজালাল থার্ড টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বরে চালুর কার্যক্রম চলমান’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম

শেয়ার করুন:

‘শাহজালাল থার্ড টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বরে চালুর কার্যক্রম চলমান’
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিং বা সীমিত পরিসরে উদ্বোধন করা হবে আগামী ১৬ ডিসেম্বর। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান।

বিমান মন্ত্রী বলেন, ১৬ ডিসেম্বর তারিখকে সম্ভাব্য বিবেচনায় নিয়ে তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিংয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে পুরোপুরি চালু হতে আরও সময়ের প্রয়োজন হবে। বিগত সরকারের আমলে এই টার্মিনাল ভবন উদ্বোধন করা হলেও এটি চালুর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। টার্মিনালে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়নি এবং কার্যক্রম পরিচালনার সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনাও ছিল না।

Port3

ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে সেবার মান উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নতুন টার্মিনালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগ করা হবে। তাছাড়া নির্দিষ্ট সংখ্যক কেপিআই এর মাধ্যমে সেবার মান মনিটরিং করা হবে। বর্তমানে প্রথম ব্যাগেজ ১৮ মিনিটে যাত্রীদের নিকট হস্তান্তর করা হচ্ছে। এই সময়কে আরও কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলমান। তাছাড়া টার্মিনালের এয়ারক্রাফট ল্যান্ডিংয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

টার্মিনালের রেভিনিউ শেয়ারিং প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পূর্বে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী রাজস্বের ১৫ শতাংশ বাংলাদেশ এবং বাকি ৮৫ শতাংশ জাপানি কোম্পানির পাওয়ার কথা ছিল। তবে বর্তমান সরকার আলোচনার মাধ্যমে সেই অনুপাত পরিবর্তন করে বাংলাদেশের প্রাপ্য অংশ ২৭ শতাংশে উন্নীত করেছে।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী তৃতীয় টার্মিনালের কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে তদারকি করেন এবং উপস্থিত জাপানি কনসোর্টিয়াম এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদসহ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

এমআইকে/এফএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর