মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষেত্রে নিয়মতান্ত্রিক ও হয়রানিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)। একই সঙ্গে কোনো ব্র্যান্ডের দীর্ঘদিনের সুখ্যাতি যাতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সংগঠনটি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশান ক্লাবে বাপার ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এ বিষয়ে কথা বলেন সংগঠনটির নেতারা। সভায় বাপার বিভিন্ন কার্যক্রম, আর্থিক বিষয় এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাপার কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ও লালতীর সিড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব আনাম। স্বাগত বক্তব্য দেন বাপার সহসভাপতি ও প্যারাগন অ্যাগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মসিউর রহমান।
সভায় প্রায় ২০০ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। বাপার সার্বিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী। বক্তব্য দেন সিজি ফুডস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাপার সম্মানিত সদস্য তাবিথ এম আওয়াল।
সভায় বিগত বছরের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন বাপার সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ মুহাম্মদ শোয়াইব হাছান। অডিট প্রতিবেদনসহ আর্থিক বিষয়াদি তুলে ধরেন কোষাধ্যক্ষ মিনহাজ আহমেদ। পরে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা সংগঠনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্য দেন।
সভায় বাপার কার্যনির্বাহী সদস্য কোহিনুর কামাল মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নীতিগত প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তবে প্রচলিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষেত্রে হয়রানিমূলক, ভীতিকর ও অপমানজনক আচরণ যেন না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
কোহিনুর কামাল বলেন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষেত্রে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে কোনো ব্র্যান্ডের দীর্ঘদিনের অর্জিত সুখ্যাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের সুনাম রক্ষার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন বলে মত দেন তিনি।
সভায় বাপার নেতারা সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, সদস্যদের স্বার্থ এবং কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্পের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। উন্মুক্ত আলোচনা ও মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শেষ হয়।
এজে




