জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ব্যাগ ছিনতাইকালে রিকশা থেকে পড়ে রনজিনা পারভীন নামে এক শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-২।
র্যাব বলছে, শিক্ষিকার ব্যাগ টানার ঘটনায় সরাসরি কে জড়িত ছিল, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন।
যদিও এ ঘটনায় উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলটি ঘটনার সময় ছিল বলে র্যাবের কাছে দাবি করেছে নিহতের স্বামী।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজন মো. মোশারফ হোসেন পনি ওরফে পনি গাজী ওরফে ‘প্যারা পনি’ এবং তার সহযোগী সেড্রিক। এ সময় ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।
রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে এ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে র্যাব-২।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দিগ্ধ পনি গাজী একজন পেশাদার ছিনতাইকারী এবং একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত। সে দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর তেজগাঁও, শেরেবাংলা নগরসহ বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ছিনতাইসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে।
রনজিনা পারভীনের ব্যাগ কে টেনেছিল, এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেন, ঘটনাটি কেউ সরাসরি দেখেনি। মোটরসাইকেলের মালিক রাকিব নিশ্চিত করেছেন, ঘটনার সময় মোটরসাইকেলের পেছনে সেড্রিক বসা ছিল। এখন ব্যাগটি সেড্রিক টেনেছিল, নাকি পনি গাজী টেনেছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা মোটরসাইকেলচালকের সঙ্গে পনি গাজীর দৈহিক গঠনের মিল রয়েছে। এছাড়া স্থানীয় ১৫ জন সোর্স র্যাবকে নিশ্চিত করেছে যে মোটরসাইকেলচালক পনি ছাড়া অন্য কেউ নয়।
এছাড়া রাত আড়াইটা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত গ্রেফতার দুজনের মোবাইল ফোন ওই এলাকায় সক্রিয় ছিল বলেও জানান তিনি।
এমআইকে/এএইচ



