বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

সংসদ অধিবেশন শুরু

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম

শেয়ার করুন:

সংসদ অধিবেশন শুরু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৩টায় কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বীর বিক্রম।

প্রথম দিনের কার্যসূচিতে রয়েছে সভাপতির বক্তব্য, প্রশ্নোত্তর পর্ব, বেসরকারি সদস্যদের পাঁচটি সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব এবং তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপন। সংসদের ওয়েবসাইটেও আজ বিকেল ৩টায় পরবর্তী বৈঠকের সময় নির্ধারিত ছিল।

দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী, স্পিকারের বক্তব্যের পর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, পরিকল্পনা, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা সদস্যদের প্রশ্নের উত্তর দেবেন।

এরপর বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। কার্যসূচিতে পাঁচটি সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহের মহেশপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় কৃষি কলেজ স্থাপনের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের পটিয়ায় আদর্শ ভবন নির্মাণ, নারায়ণগঞ্জের নাসিরপুর রেলস্টেশন থেকে শ্রীমঙ্গল পর্যন্ত রেল যোগাযোগ উন্নয়ন এবং সাতক্ষীরায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও রয়েছে। প্রস্তাবগুলো সংশোধনীসহ পৃথকভাবে নিষ্পত্তির কথা রয়েছে।

আইন প্রণয়ন কার্যাবলিতে আজ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ‘Transfer of Property (Amendment) Bill, 2026’। ১৮৮২ সালের Transfer of Property Act সংশোধনের লক্ষ্যে বিলটি উত্থাপন করবেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বিলটি উত্থাপনের পর পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করা হবে।

এ ছাড়া ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ উত্থাপনের কথা রয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বিলটি আনা হচ্ছে। বিলটি উত্থাপনের পর পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করা হবে।

দিনের তৃতীয় বিল ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’। গুম প্রতিরোধ, দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করা, ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার সংরক্ষণ এবং প্রতিকার দেওয়ার পাশাপাশি মানবাধিকার, ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বিলটি আনা হচ্ছে। বিলটি উত্থাপনের পর পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করা হবে।

সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনেই সংসদীয় কমিটি গঠন এবং গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

টিএই/এএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর