বরিশাল-ভোলা সড়ক যোগাযোগে দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।
তিনি বলেছেন, বড় নদীতে দীর্ঘ সেতু নির্মাণের পরিবর্তে স্বল্পদৈর্ঘ্যের কয়েকটি সেতুর মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপনের সিদ্ধান্ত ব্যয় ও পরিবেশগত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাবে।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান তিনি।
ফাওজুল কবির খান বলেন, বরিশাল-ভোলা সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলাকে সড়কপথে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ উদ্যোগের আওতায় ইতোমধ্যে অনুমোদিত মীরগঞ্জ সেতুর পাশাপাশি আরও দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণ করা হবে। এর একটি ১ দশমিক ২ কিলোমিটার এবং অন্যটি ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে।
তিনি বলেন, বড় নদীতে সেতু নির্মাণ শুধু ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ নয়, এর ফলে সংশ্লিষ্ট নদী ও সংলগ্ন জনপদে বিভিন্ন ধরনের বিরূপ প্রভাবও পড়তে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সেতুর অর্থায়ন ও নির্মাণকাজ বাস্তবায়নও তুলনামূলকভাবে কঠিন।
সাবেক এই উপদেষ্টার মতে, স্বল্পদৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণের ফলে একদিকে যেমন প্রকল্পের ব্যয় কমবে, অন্যদিকে নদী ও আশপাশের জনপদের ওপর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও তুলনামূলকভাবে কম হবে।
নতুন এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, এর ফলে বরিশাল ও ভোলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ ও কার্যকর হবে।
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘এ সিদ্ধান্তের জন্য আমি বর্তমান সরকার, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং প্রকৌশলীদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
এমআর/এআরএম




