শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

ঢাকা মেডিকেলে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ, নারীসহ তিনজন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম

শেয়ার করুন:

ঢাকা মেডিকেলে কিশোরীর মরদেহ, নারীসহ তিনজন গ্রেফতার
ঢামেকে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা

‎ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ফেলে যাওয়া অজ্ঞাতনামা সেই কিশোরীর মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক, মো. ফয়সাল আহমেদ ও রাহেমা খাতুন রেশমা। তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী ও শ্বশুর।

‎বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর ডেমরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

‎পুলিশ বলছে, অজ্ঞাতনামা সেই কিশোরীর নাম মিম আক্তার। তার বয়স ১৫ বছর। নিহত মিম গ্রেফতারকৃতদের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো।

শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, গত ১২ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এক কিশোরীর মরহেদ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে মরদেহের পরিচয় শনাক্তে প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত শুরু করে। 

পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে একটি বিশেষ টিম গঠন করে শাহবাগ থানা।  এই ঘটনায় ১৩ আগস্ট শাহবাগ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলাও করা হয়েছে।

পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোর ৫টায় রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

‎এ আগে, নিহত কিশোরী মিমকে হত্যার পর অপরাধ ঢাকার উদ্দেশ্যে আসামিরা মরদেহ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। গ্রেফতার এড়াতে তারা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার বাসা ছেড়ে রাতারাতি সপরিবারে অন্যত্র গা ঢাকা দেন।

‎এ বিষয়ে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে ফেলে যাওয়া কিশোরীর লাশের ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী ও শ্বশুরসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মিম তাদের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। ঘটনাস্থলে মিমের কোনো মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ডিভাইস পাওয়া যায়নি। বয়স কম হওয়ায় তার আঙুলের ছাপ দিয়েও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।’

‎তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আমাদের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’

‎একেএস/এএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর