বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৬ পিএম

শেয়ার করুন:

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না মির্জা আব্বাস
ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। ছবি- সংগৃহীত

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকায় ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ নাম থাকলেও চিকিৎসার কারণে বিদেশে অবস্থান করায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন না তিনি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিএনপির দলীয় সূত্র এই তথ্য জানা গেছে।

গত ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। গত ১৪ এপ্রিল ফিজিওথেরাপির জন্য তাকে মালয়েশিয়ার একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে সেখানে তিনি পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন।

মির্জা আব্বাসের দেশে ফেরার বিষয়ে গত ৩ আগস্ট বিএপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছিলেন, মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাসকে মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি আস্তে আস্তে সার্বিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠছেন। বাংলাদেশে আসতে আরো কিছু দিন সময় লাগবে।

যেভাবে হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‘নির্বাচনি কর্তা’ হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করবেন। এ জন্য জাতীয় সংসদ কক্ষে সংসদ সদস্যদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে নির্বাচনি কর্তা সভাপতিত্ব করবেন।
সংসদের অধিবেশন চলাকালে নির্বাচন প্রয়োজন হলে ভোটগ্রহণের অন্তত সাত দিন আগে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে ভোটের সময়সূচি নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন। সংসদের অধিবেশন না থাকলে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণের ক্ষেত্রে অন্তত সাত দিন আগে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সংসদের বৈঠক আহ্বান করা হবে।

ভোট প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশিকা বলা হয়েছে, ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করে ব্যালট সংগ্রহ করে ভোট দিতে হবে। এই সময়ে বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় কর্তৃক সরবরাহকৃত আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। সংসদ কক্ষে নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার নিকট হতে নিজ নাম ও বিভক্তি সংখ্যা মুদ্রিত ব্যালট পেপার প্রাপ্তির পর ব্যালট পেপারের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে ভোটারের স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে তা সহায়তাকারী কর্মকর্তাকে ফেরত দিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ব্যালটের আউটার ফয়েল বা ব্যালট অংশে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে নির্দিষ্ট ফাঁকা স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে ভোট প্রদান করতে হবে।  ভোট প্রদানকৃত ব্যালটটি সংসদ কক্ষে সংরক্ষিত ব্যালট বাক্সের অভ্যন্তরে রাখতে হবে। কোনো কারণে সরবরাহকৃত ব্যালট পেপার নষ্ট হয়ে গেলে ব্যালট বাক্সের অভ্যন্তরে রাখার পূর্বে সেটি নিয়ে নির্বাচনি কর্তার নিকট উপস্থাপন করতে হবে। নির্বাচনি কর্তা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, ভোট গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের বৈঠকে নির্বাচনি প্রচার করা বা এ উদ্দেশ্যে কোনও বক্তব্য কিংবা ভাষণ দেওয়া যাবে না। ভোটদানকালে কোনও তাৎক্ষণিক সমস্যার উদ্ভব হলে চীফ হুইপ ও বিরোধীদলের চীফ হুইপের শরণাপন্ন হতে হবে। ব্যালট পেপারে যেখানে ভোটারের পূর্ণ স্বাক্ষরের কথা বলা হয়েছে সেখানে পূর্ণ নাম লিখতে হবে।

২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করলে ৬ আগস্ট শূন্য পদে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। বিএনপি ও সমমনাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ ভোটে রয়েছেন।

এমএইচএইচ/এএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর