বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

জুলাই জাদুঘরে হাসিনার রেকর্ড করা ফোনালাপ শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৭ এএম

শেয়ার করুন:

জুলাই জাদুঘরে হাসিনার রেকর্ড করা ফোনালাপ শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচিহ্ন ধরে রাখার জন্য গড়ে তোলা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের পর সেটি ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিদর্শনের একপর্যায়ে তিনি জাদুঘরে সংরক্ষিত গণভবনের লাল টেলিফোনে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রেকর্ড করা ফোনালাপ শোনেন।

বুধবার সকালে রাজধানীতে নবনির্মিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনের পর বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন সরকারপ্রধান। সঙ্গে ছিলেন তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

পরিদর্শনকাল জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলোকচিত্র, দলিল, ভিডিওচিত্র, ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী ও অন্যান্য নিদর্শন ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। জাদুঘরের কর্মকর্তারা তাকে বিভিন্ন গ্যালারির প্রদর্শনী ও সংরক্ষিত উপকরণের বিষয়ে অবহিত করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। পরে এই সরকারের অধীনই জুলাইয়ের নানা স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে গণভবনে তৈরি করা হয় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর।

বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা, জুলাই শহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই জাদুঘর।

জাদুঘর সূত্র জানায়, গণভবনে ব্যবহৃত লাল টেলিফোনটি জাদুঘরের অন্যতম আকর্ষণ। টেলিফোনটিতে বিভিন্ন সময়ের সংরক্ষিত ফোনালাপ ডিজিটালভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে। দর্শনার্থীরাও নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে সেসব ফোনালাপ শুনতে পারবেন।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট দলিল, আলোকচিত্র, অডিও–ভিডিও নথি ও বিভিন্ন স্মারক সংরক্ষণের পাশাপাশি গবেষণা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরার লক্ষ্যেই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

জাদুঘর উদ্বোধনের সময় আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন-সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

গতকাল জাদুঘরটি শুধু আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য খোলা ছিল। আজ বৃহস্পতিবার থেকে তা সবার জন্য উন্মুক্ত হবে।

এমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর