শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৩ এএম

শেয়ার করুন:

৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

নানান আলোচনা-সমালোচনা শেষে অবশেষে উন্মোচন হতে যাচ্ছে গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় জুলাই জাদুঘর প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাদুঘরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বাকস্বাধীনতা হরণ ও লাগামহীন নির্যাতনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারের পতন হয়। সেদিন গণভবনের প্রতিটি অংশে ছড়িয়ে পড়ে জনতার ক্ষোভ, আর স্বৈরশাসকের বাসভবন চলে যায় ছাত্র-জনতার দখলে।

এরপর বহু মানুষের চোখের পানির সাক্ষী সেই গণভবনকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৫ আগস্টের নানা স্মৃতিচিহ্ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুর্লভ দলিল, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত পোশাক, বিভিন্ন স্মারক, আন্দোলনের ব্যানার, প্ল্যাকার্ডসহ নানা উপকরণ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী শাসনের বিভিন্ন নিদর্শনও এই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

তবে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও এটি চালু করতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার। একইসঙ্গে নির্মাণ ঘিরে নানামুখী দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে। ফলে জাদুঘরের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
 
অবশেষে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হয়েছে। বর্তমান সরকার ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ৫ আগস্ট জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা মানুষের সামনে তুলে ধরতেই জাদুঘরটি সাজানো হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা ধারণ করেই জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে।
 
সংস্কৃতিমন্ত্রীর মতে, ভবিষ্যতে কেউ স্বৈরশাসক হতে চাইলে এই জাদুঘর তাদের জন্য শিক্ষণীয় হবে। তিনি আরও বলেন, যদি ভবিষ্যতে কোনো শাসক আবার ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠতে চান, তাহলে এই জাদুঘর তাকে মনে করিয়ে দেবে যে জনগণই রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী এবং জনগণের প্রতিরোধের মুখে স্বৈরশাসনের পতন অনিবার্য।

এআরএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর