শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

মিটারে নয়, চালকের ইচ্ছাতেই চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা!

আব্দুল হাকিম
প্রকাশিত: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ এএম

শেয়ার করুন:

মিটারে নয়, চালকের ইচ্ছাতেই চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা!
ছবি- ঢাকা মেইল
# মিটারের বদলে মুখে মুখে ভাড়া নির্ধারণ
# বৃষ্টি ও রাতে বেড়ে যায় সিএনজি ভাড়া
# আইন থাকলেও নেই কার্যকর প্রয়োগ
# একই গন্তব্যে ভিন্ন ভিন্ন ভাড়া দাবি
# দৈনিক জমার চাপে মিটার উপেক্ষা 
# মিটার ব্যবস্থার কার্যকর বাস্তবায়ন চান যাত্রীরা 

মহাব্যস্ত নগরী ঢাকায় চলাচলের অন্যতম মাধ্যম সিএনজিচালিত অটোরিকশা। এক-দুজন এবং ক্ষেত্রবিশেষে সর্বোচ্চ তিনজন যাত্রী বহনে অক্ষম ছোট্ট এ বাহনটির ভাড়া নির্ধারণে মিটার ব্যবহার আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। শহরের অধিকাংশ এলাকায় বহুদিন ধরেই মিটার যেন কেবল গাড়ির একটি অলংকার। 

যাত্রী ওঠানোর আগে সিএনজি চালকরা প্রথমেই গন্তব্য জানতে চান, এরপর মিটার চালু না করেই মুখে মুখেই ভাড়া বলে দেন। যাত্রী আপত্তি জানালে বা ভাড়ায় না পোষালে চালকরা যান না। মিটার কার্যত অকার্যকর। ফলে বেশিরভাগ সময় সিএনজি চালকদের চাহিদামতো ভাড়া দিয়েই যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন নানা শ্রেণি-পেশার যাত্রীরা। 

রাজধানীর বনানী, গুলশান, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, কারওয়ান বাজার, মতিঝিল, পল্টন, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, উত্তরা, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে। 

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ সিএনজিতে ডিজিটাল মিটার থাকলেও সেগুলো কার্যত বন্ধ। বেশিরভাগ চালক তো সাফ জানিয়েই দেন, ‘মিটারে যাবো না’। আবার কেউ কেউ মিটার চালু করার অনুরোধে বিরক্তি প্রকাশ করেন। ভাড়া চাওয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে তারতম্য। এক্ষেত্রে যেন চালকদের ইচ্ছাই সব। একই গন্তব্যে কেউ চাইছেন ৩০০, কেউ বা ৪০০। ফলে ভাড়া নির্ধারণের নির্দিষ্ট নিয়ম বা মানদণ্ড না থাকায় প্রতিদিনই যাত্রী ও চালকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার দৃশ্য দেখা যায়।

মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. রাকিব হাসান বলেন, ‘অফিস শেষে প্রতিদিন সিএনজিতে করে বাসায় ফিরতে হয়। আগে অন্তত কিছু চালক মিটারে যেতে রাজি হতেন, এখন সেরকম কাউকে দেখি না। মিটারে গেলে নাকি তাদের পোষায় না। বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়া দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। প্রতিদিন ১০০-২০০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া দিতে দিতে মাস শেষে তা বড় অঙ্কে দাঁড়িয়ে যায়।

1

ধানমন্ডির বাসিন্দা নাসরিন আক্তার বলেন, ‘ছোট সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে বা স্কুলে যেতে হলে ভাড়া নিয়ে বাতচিতের সুযোগ থাকে না। চালক যা বলেন, অনেক সময় সেটাই মেনে নিতে হয়। বিশেষ করে বৃষ্টি, যানজট বা রাতে- এই সময়গুলো ভাড়া অনেক বেশি দাবি করা হয়। সরকার যদি মিটার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে থাকে, তাহলে সেটি কার্যকর না হওয়ার দায় যাত্রীরা কেন বহন করবে?’

উত্তরার বাসিন্দা মাহবুব আলম জানান, ‘বিমানবন্দর এলাকা থেকে সিএনজিতে মিরপুর কিংবা আগারগাঁও যেতে মিটারে ভাড়া অনেক কম হওয়ার কথা। কিন্তু বেশিরভাগ চালক ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করেন। কেউ মিটারে যেতে চান না। ঢাকার সবখানেই একই অবস্থা। বেশি ভাড়া দিয়ে যেতে হয়, নয়তো দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিয়া ইসলাম বলেন, ‘নারী যাত্রী দেখলে বেশিরভাগ চালকই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন। বিশেষ করে রাতের বেলা বা নির্জন এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকলে চালকের চাহিদামতো ভাড়াই দিতে হয়। নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে কথা না বাড়িয়ে সিএনজিতে উঠে পড়ি। এভাবে প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।’

তবে চালকরা বলছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় মিটারের ভাড়ায় গাড়ি চালিয়ে সংসার চালানো কঠিন। তাদের দাবি, গ্যাসের দাম, যন্ত্রাংশ, টায়ার, গ্যারেজ ভাড়া, দৈনিক জমা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়েছে। সে অনুযায়ী ভাড়া কাঠামো সমন্বয় করা হয়নি। ফলে মিটারে চললে দিনের শেষে পর্যাপ্ত আয় থাকে না।

মিরপুর এলাকায় কথা হয় সিএনজি চালক আবদুল কাদেরের সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রতিদিন মালিককে নির্দিষ্ট পরিমাণ জমা দিতে হয়। এরপর গ্যাস, খাবার ও অন্যান্য খরচ বাদ দিলে হাতে খুব বেশি টাকা থাকে না। মিটারে গাড়ি চালালে দিনশেষে সংসার চালানোর মতো আয় হয় না। এ কারণেই মিটারের পরিবর্তে মৌখিকভাবে ভাড়া ঠিক করতে হয়।’

2

আরেক চালক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যামে আটকে থাকতে হয়। মিটারের ভাড়ায় সেই সময়ের মূল্যায়ন হয় না। যাত্রীদের কষ্ট যেমন আছে, আমাদেরও সমস্যা হয়। সরকার যদি বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভাড়া পুনর্র্নিধারণ করে এবং সবার জন্য একই নিয়ম করে, তাহলে এই সমস্যা থাকবে না।’

জানা গেছে, সর্বশেষ ২০১৫ সালে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া সংশোধন করে পুনর্র্নিধারণ করা হয়। সিএনজি ও পেট্রোলচালিত ফোর স্ট্রোক থ্রি-হুইলারের ভাড়া নির্ধারণী এক প্রজ্ঞাপনের তথ্যানুযায়ী, প্রতিটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার বর্তমানে দৈনিক জমা ৯০০ টাকা। প্রথম ২ কিলোমিটারের ভাড়া ৪০ টাকা। পরবর্তী প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ১২ টাকা। বিরতিকালীন প্রতি মিনিটের ভাড়া (ওয়েটিং চার্জ) ২ টাকা। যেকোনো দূরত্বে যাত্রী পরিবহনে বাধ্যতামূলক সর্বনিম্ন ভাড়া ৪০ টাকা। ভাড়ার এই হার ২০১৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাড়া পুনর্র্নিধারণের দাবি থাকতেই পারে। কিন্তু আইন অমান্য করে যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায়ের সুযোগ নেই। নিয়ম না মানলে যাত্রীদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয় এবং পুরো পরিবহন ব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যাত্রীরা যেমন অতিরিক্ত ভাড়া দিচ্ছেন, তেমনি চালকরাও দাবি করছেন যে, বর্তমান ভাড়া কাঠামো তাদের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সরকার, বিআরটিএ, মালিক-চালক প্রতিনিধি, যাত্রী সংগঠন ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। 

একই সঙ্গে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত মিটার পরীক্ষা, অভিযোগ গ্রহণের সহজ পদ্ধতি চালু এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিকল্প নেই।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘শুধু সিএনজিতে মিটার ব্যবহারের নির্দেশ দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। মিটারভিত্তিক ভাড়া ব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে আগে রাজধানীর দীর্ঘস্থায়ী যানজট কমাতে হবে এবং গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

3

তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি সিএনজি যদি কয়েক ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকে, তাহলে মিটারে যে ভাড়া ওঠে, তা দিয়ে চালকের পক্ষে গাড়ির খরচ, মালিকের জমা এবং সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাধান ছাড়া শুধু আইন প্রয়োগ করে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না।’

সাইদুর রহমান বলেন, ‘সমস্যার আরেকটি বড় কারণ হলো, সিএনজির অস্বাভাবিক উচ্চ ক্রয়মূল্য। একটি সিএনজির দাম ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার মধ্যে হওয়ায় অধিকাংশ চালকের পক্ষে নিজের মালিকানায় গাড়ি কেনা সম্ভব হয় না। ফলে তারা মহাজন বা মালিকের কাছ থেকে গাড়ি নিয়ে চালান এবং প্রতিদিন নির্ধারিত অঙ্কের জমা দিতে বাধ্য হন। এই জমার টাকা তুলতে গিয়েই অনেক চালক মিটারের পরিবর্তে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায়ের পথ বেছে নেন।’

তিনি বলেন, ‘সরকার দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বাড়লেও মধ্যবিত্ত মানুষের অন্যতম বাহন সিএনজিচালিত অটোরিকশা খাতের উন্নয়নে কার্যকর কোনো নীতিগত উদ্যোগ নেয়নি। এই খাতে চালকদের মালিকানা নিশ্চিত করতে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে তারা মহাজননির্ভর না হয়ে নিজের গাড়ি নিজেই পরিচালনা করতে পারেন।’

একইসঙ্গে রাজধানীতে কোম্পানিভিত্তিক রুট ব্যবস্থার মাধ্যমে গণপরিবহন পরিচালনা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে হবে বলেও মনে করেন সাউদুর রহমান। তিনি মনে করেন, ‘এসব কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া সিএনজিতে মিটারভিত্তিক ভাড়া কার্যকর করা এবং রাজধানীর পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।’

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘ঢাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় মিটার ব্যবহার প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টার কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হবে। এর সঙ্গে সংগঠনের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনও তুলে ধরব।’

তিনি বলেন, ‘সিএনজি একটি ছোট খাত। সরকারের আন্তরিক উদ্যোগ থাকলে কোম্পানিভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই খাতকে নিয়ন্ত্রণে এনে সহজেই শৃঙ্খলার মধ্যে আনা সম্ভব। এ জন্য সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।’

মোজাম্মেল হক আরও বলেন, ‘নতুন সরকার পরিবহন খাতের সংস্কার এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ। সেটি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সবার আগে সিএনজিচালিত খাতকে শৃঙ্খলার আওতায় এনে মিটারভিত্তিক ভাড়া ব্যবস্থা কার্যকর করা জরুরি। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি কমবে এবং রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায়ও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।’

4

পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, ‘কোনো পরিবহন খাতে সরকার নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর না থাকলে সেটি আইনের শাসনের দুর্বলতারই প্রতিফলন। মিটার ব্যবহার বাধ্যতামূলক হলেও যদি তা মাঠপর্যায়ে কার্যকর না হয়, তাহলে যাত্রী ও চালকের মধ্যে প্রতিদিন সংঘাত সৃষ্টি হবে। প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, নিয়মিত অভিযান এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা ছাড়া এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।’

এদিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার জানান, সিএনজিচালিত অটোরিকশার অনেক চালক আইন মেনে মিটারে চলতে চান না। তবে তাদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মিটার ব্যবহার না করলে বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটরা জরিমানা করছেন। একইসঙ্গে ট্রাফিক সার্জেন্টরাও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

বিদ্যমান সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রয়েছে। আইনের ৩৪(৩) ও ৩৪(৪) ধারা অনুযায়ী, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যেতে পারে। 

মাঠপর্যায়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো যাত্রী অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা মিটার ব্যবহার না করার অভিযোগ করলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি যাচাই করেন। পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে চালকদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেন।

তারা জানান, মিটার ব্যবহার না করে যাত্রী পরিবহন করা সরকারি নির্দেশনা লঙ্ঘনের শামিল। এ ধরনের অপরাধে প্রচলিত আইনের ৯১(১) ধারা অনুযায়ী প্রথমবার এক হাজার টাকা এবং পরবর্তী সময়ে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রয়েছে। 

তবে ট্রাফিক সার্জেন্টরা মনে করেন, নিয়মিত অভিযান ও কঠোর তদারকি ছাড়া সিএনজিচালিত অটোরিকশায় মিটারভিত্তিক ভাড়া পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে বিআরটিএ সিএনজিচালিত অটোরিকশায় মিটার ব্যবহার নিশ্চিত করতে অভিযান চালানোর নির্দেশ দিলেও পরে চালকদের আন্দোলনের মুখে সেই প্রশাসনিক নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়। তবে মিটার ব্যবহারের আইনি বাধ্যবাধকতা এখনো বহাল রয়েছে।

এএইচ/এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর