সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৩ সমঝোতা সই

ঢাকা মেইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম

শেয়ার করুন:

চীনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, ২ চুক্তি, ১৩ সমঝোতা সই

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

চীনের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকাল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তাদের উপস্থিতিতে এসব সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হয়।
 

‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই সংবর্ধনা ও ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।  ছবি: পিএমও 


এর আগে তারেক রহমানকে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘লাল গালিচা’ সংবর্ধনা ও ‘গার্ড অব অনার’ দেন। বৃহস্পতিবার চীনের স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৪টায় বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই সংবর্ধনা ও ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়। 

এসময় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশাবাদী দুই দেশ। 

 


এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আগামীকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে) গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উভয় বৈঠকেই বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী। 

‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই সংবর্ধনা ও ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।  ছবি: পিএমও

 
 
মাহদী আমিন বলেন, চীনা প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করা, ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে নেওয়া এবং বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।
 
এ ছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য খাতে কার্যকর সহযোগিতা প্রতিষ্ঠাও সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
 
ক.ম/ 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর