মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ঢাকা

দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে: সেতুমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম

শেয়ার করুন:

দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে: সেতুমন্ত্রী
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ফাইল ছবি

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ও বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীতে তথ্য অধিদফতরের সভাকক্ষে দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


বিজ্ঞাপন


সেতুমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় পদ্মা এবং যমুনা সেতু করার পরিকল্পনা আছে। এ জন্য ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশের ৪৯টি জেলা রেল যোগাযোগের আওতায় এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আরও ১০টি জেলায় রেল যোগাযোগ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাগিদ দিয়েছেন। এটি বাস্তবায়নে নতুন প্রকল্প নেওয়া হবে।

ঢাকা-মানিকগঞ্জ কমিউটার ট্রেন চালুর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাজধানীর আশপাশের এলাকাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।

পদ্মা সেতুর রেললাইনের নিচ থেকে মাটি সরানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি এমন নয় যে রেললাইনের নিচ থেকে মাটি খুঁড়ে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের প্রয়োজনেই কিছু অতিরিক্ত মাটি সরানো হয়েছিল। তবে এখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, মাটি অপসারণ বন্ধ করে সেখানে গাছ লাগানো হবে।


বিজ্ঞাপন


রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, উত্তরায় একটি স্থানে প্রায় ৫০ বিঘা জমি অধিগ্রহণের চিন্তা করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে রাজধানীর সব বাসস্ট্যান্ড সরানো হবে। তবে এটি রাতারাতি করা হবে না। বাস রাখার জন্য অস্থায়ী ডিপোর ব্যবস্থা থাকবে এবং শুধু যাত্রী ওঠানামার সময় বাস টার্মিনালে আসবে।

চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য অবকাঠামো সহযোগিতা নিয়ে তিনি বলেন, যেসব প্রকল্পে চীনের আগ্রহ রয়েছে এবং যেগুলো বাংলাদেশের স্বার্থে হবে, সেগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে আলোচনা হতে পারে।

মন্ত্রী আরও বলেন, রেলপথ, সড়কপথ ও নৌপথ খাতে চীনের অনেক প্রস্তাব রয়েছে। তারা বিনিয়োগ করতে চায়। এসব প্রস্তাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। দেশের উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির স্বার্থে সেগুলো বিবেচনা করা হবে। উভয় দেশের স্বার্থ রক্ষা করে যেসব প্রকল্পে একমত হওয়া যাবে, সেগুলোই গ্রহণ করা হবে।

সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত গুরুত্ব বিবেচনা করেই বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আর্থিক সক্ষমতা, কারিগরি দক্ষতা ও জনস্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্প নির্ধারণ করা হচ্ছে।

ভারতের সঙ্গে চলাচলকারী মৈত্রী ও বন্ধন ট্রেন সম্পর্কে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এএইচ/এআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর