জাতীয় বেতন স্কেলের সঙ্গে ২০১৫ সালে বাতিল করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অর্জন ‘সিলেকশন গ্রেড’ ও ‘টাইম স্কেল’ সুবিধা পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ। সংগঠনটি মনে করে, আগামী জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন জাতীয় বেতন স্কেলের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই দুটি সুবিধা পুনর্বহাল করলে তাদের ন্যায্য প্রত্যাশা পূরণ হবে।
সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান পরিষদের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব মো. মুজাহিদ এবং কর্মচারী সমিতির নেতা মো. আজিম উদ্দিন।
বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গত ১১ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে দেশের সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন দফতরে কর্মরতদের জন্য ‘জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে, যা আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই এই নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণা করায় সমগ্র বাংলাদেশের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
নুরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি যুগোপযোগী নতুন পে-স্কেল প্রবর্তনের অঙ্গীকার করেছিল। আমরা আনন্দের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, সরকার সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হয়েছে। এর ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি ও আন্দোলন পরিচালনা করে আসছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই সফল পরিণতি আজকের এই জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণা।
বিইউ/এফএ




